বাংলাদেশ সোমবার 19, February 2018 - ৬, ফাল্গুন, ১৪২৪ বাংলা

শিরোনাম :
সিংগাইরে ৩টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার নেই, চিকিৎসাসেবা ব্যাহতআশুলিয়ায় ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪; লুটের মালামাল উদ্ধারখালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঢাকা জেলা প্রশাসককে স্মরকলিপি দিয়েছে বিএনপিসাভার প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী মিঠুন সরকার আজীবনের জন্য বহিষ্কার, থানায় আরো দু’টি মামলাসাভারে চাঁদাবাজীর অভিযোগে সাংবাদিক মিঠুন সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন, থানায় মামলারাজধানীতে বেড়েছে পকেটমারদের দৌরাত্ম্যবান্দরবানে ২৫টি অস্ত্র, ২০৩৭টি গুলি উদ্ধারআশুলিয়ায় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মিছিল করায় সাবেক এমপি ডা: সালাউদ্দিনসহ ৮২ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা

সাভারে রাজনীতির সিংহপুরুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফউদ্দিন খান ইমু গুরুতর অসুস্থ্য, কেউ রাখে না খোঁজ (ভিডিও)

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশিত ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২২:১০:৫০

বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফউদ্দিন খান ইমু। তিনি তাঁর কর্মকান্ডের মধ্যদিয়েই সাভারে রাজনীতির সিংহপুরুষ হিসেবেই পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের নয়, দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রিয় নেতা ছিলেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তরুণ বয়সে সাভার এরিয়া কমান্ডের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্বাধীনতার পর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থেকে সংসদ পর্যন্ত জনপ্রতিনিধির প্রতিটি পদে জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন। আজ রাজনীতির সেই সিংহপুরুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফউদ্দিন খান ইমু খুবই অসুস্থ্য হয়ে পরিবারের সঙ্গে প্রায় একাকীত্ব জীবন যাপন করছেন। কিন্তু তার দল বা বন্ধু মহলের কেউ তার তেমন খোঁজ নিচ্ছেন না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফউদ্দিন খান ইমু ১ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে ঢাকার জেলার সাভার উপজেলার গেন্ডায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম কবির উদ্দিন খান (তারা মিয়া) ছিলেন জাতিরজনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর এবং তৎকালীন সাভার থানা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। মাতা মরহুমা অজিফা খানম, ছিলেন গৃহিনী। এক ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তিনি সাভার অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি এবং মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করে জগন্নাথ কলেজ থেকে ¯œাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলের জনক। বড় ছেলে গোলাম মহিউদ্দিন খান শান্তুনু, মেঝ ছেলে গোলাম শফিউদ্দিন খান ও ছোট ছেলে গোলাম ফয়েজ উদ্দিন খান।

ব্যক্তিস্বার্থ ও লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে যারা মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে রাজনীতি করেন, তাদেরই একজন সাভার উপজেলার বর্ষীয়ান রাজনীতিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফউদ্দিন খান ইমু। তিনি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন এবং স্বাধীনতার পর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মধ্যদিয়ে আজীবন জনসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁর নীতি আদর্শ ভবিষ্যত রাজনীতিকদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থকবে বলে অনেকেই মনে করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ২৩ বছরের টগবগে যুবক আশরাফউদ্দিন খান ইমু মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং দেশ স্বাধীন হবার পর বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হন। রাজনীতিকে তিনি কখনও ক্ষমতা কিংবা অর্থোপার্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেননি। বরং মানুষের কল্যাণ করাই ছিল তাঁর রাজনীতির মূল আদর্শ। তিনি গতানুগতিক ধারায় নিজেকে বিলিয়ে দেননি। পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি নি:স্বার্থভাবে রাজনীতি করেছেনে, জনগণের সেবার ব্রত নিয়ে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে বহু সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন, জনগণের অধিকার আদায়ে কথা বলেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবসময়ই কথা বলেছেন বলিষ্ঠ কন্ঠে।

আদর্শিক রাজনীতির জন্য মানুষের ভালবাসাও পেয়েছেন সর্বত্র। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন নিয়ে ছাত্রলীগের কর্মী থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু কখনই দুর্র্নীতি তাকে ষ্পর্শ করেনি। সন্ত্রাস দুর্নীতি, জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সর্বদাই ছিলেন সোচ্চার। যা দলমত নির্বিশেষে সাভারের প্রতিটি মানুষ স্মরণ করে। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে জনাব ইমু ১৯৬৪ সালে ছাত্রলীগে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে জড়িত হন। ১৯৬৫ সালে জগন্নাথ কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে হামিদুর রহমান শিক্ষা রিপোর্টের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত অবস্থায় তিনি প্রেফতার হন। ১৯৬৮ সালে মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। ’৬৯ এর গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে তিনি অংশগ্রহণ করেন এবং সাভার থানা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টর অধীনে ভারতের আসাম রাজ্যের অমপি নগরে ২১ দিনব্যাপি মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ শেষে সাভার থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধকালীন সময়ে সাভার এলাকা ছাড়াও সিঙ্গাইর এলাকায় তাঁর নেতৃত্বাধীন বাহিনী নিয়ে যুদ্ধ করেন। 

৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে আশরাফউদ্দিন খান ইমু সাভার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। একই সাথে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত সাভার থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে নবগঠিত সাভার উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৮ সালে ঢাকা-১২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে সাভার পৌরসভা স্থাপিত হলে তিনি সাভার পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান হন এবং পরপর দুই মেয়াদে পৌর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে গেন্ডা এলাকায় পৌর ভবন তার দায়িত্ব পালনকালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৯৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সাভার আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেন। দীর্ঘদিন তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

 

মাদকমুক্ত সাভার গঠন করা তাঁর অন্যতম স্বপ্ন ছিল। সাভার উপজেলার ইমান্দিপুর-মজিদপুর এলাকাটি এক সময় মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছিল। পৌর চেয়ারম্যান থাকাকালে আশরাফউদ্দিন খান ইমু সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে জনসভার মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছিলেন। তিনি স্বশরীরে মাদক ব্যবসা নির্মূলে অভিযান চালান। ভারতে বাবরী মসজিদ নিয়ে যখন দেশে উত্তেজনা চলছিল সেই মূহুর্তে তিনি লোকজন নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির পাহারা দিয়েছেন, যাতে কোন দুষ্টচক্র এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তিনি বক্তৃতা বিবৃতি দিয়েছেন। নিজের জীবন বাজি রেখে তিনি রুখে দাঁড়িয়েছেন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

এই প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ আশরাফউদ্দিন খান ইমু মহান বিজয়ের মাসে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “যে স্বপ্ন এবং আকাঙ্খা বুকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম, বিজয় অর্জন করেছিলাম, ৭৫ সালে জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যার মাধ্যমে সেই স্বপ্ন ও আকাঙ্খাকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় আছে। প্রতিক্রিয়াশীল রাজনৈতিকচক্র যতই শক্তিশালী হোক না কেন, ইতিহাস বিকৃতির যতই অপচেষ্টা চালানো হোক না কেন তা একদিন ধ্বংস হবেই। গণতন্ত্রের মানসকন্যা জাতির জনক বনঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ একদিন সোনার বাংলায় পরিণত হবে। সেখানে থাকবে না সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, দুর্নীতি, থাকবে না মাদকের ভয়াল থাবা।”

বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আশরাফউদ্দিন খান ইমু ব্রেইনস্টোক করে শারীরিক অসুস্থতার কারণে স্বশরীরে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও রাজনীতি সচেতন মানুষটি সবসময় রাজনীতির খোঁজখবর রাখেন। রাজনীতিতে কোন ভাল ঘটনা ঘটলে আনন্দিত হন এবং অপরাজনীতির চিত্র দেখলে ব্যথিত হন। তিনি প্রত্যাশা করেন, এই দেশে একদিন সুস্থ রাজনীতির চর্চা হবে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবেই।

বার পঠিত

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

ধামরাইয়ে ষাঁড়ের গুঁতোয় এক ব্যক্তির মৃত্যু

ধামরাইয়ে ষাঁড়ের গুঁতোয় এক ব্যক্তির মৃত্যু

ধামরাইয়ে ষাঁড়ের গুঁতোয় আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় এ ঘটনা

সিংগাইরে ৩টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার নেই, চিকিৎসাসেবা ব্যাহত

সিংগাইরে ৩টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ডাক্তার নেই, চিকিৎসাসেবা ব্যাহত

 সিংগাইর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কোন ডাক্তার নেই। সরবরাহ নেই কোন প্রয়োজনীয় ওষুধ। এ

সাভারে দশ হাজার পরিবারের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন

সাভারে দশ হাজার পরিবারের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন

সাভারে বাসা বাড়িতে প্রভাবশালীদের অবৈধভাবে সংযোগ দেয়া প্রায় দশ হাজার পরিবারের মাঝে দেওয়া গ্যাস লাইন


আশুলিয়ায় ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪; লুটের মালামাল উদ্ধার

আশুলিয়ায় ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪; লুটের মালামাল উদ্ধার

আশুলিয়ায় নলামে একটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে

রূপা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

রূপা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে করা মামলার ডেথ

জাবিতে ৬ শিক্ষককে শোকজ: নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা একাংশের

জাবিতে ৬ শিক্ষককে শোকজ: নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা একাংশের

 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সম্প্রতি ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ থেকে সাংগঠনিক


নন-ক্যাডার সহকারী সচিব হলেন ১২ কর্মকর্তা

নন-ক্যাডার সহকারী সচিব হলেন ১২ কর্মকর্তা

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১২ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তাকে (পিও) নন-ক্যাডার কোটায়

রাজধানীতে বায়ু দূষণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ ভাগ

রাজধানীতে বায়ু দূষণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ ভাগ

প্রায় পৌঁনে দুই কোটি মানুষ বাস করে প্রাণের শহর ঢাকায়। দৈনন্দিন কাজের প্রয়োজনে তিন লাখেরও

নতুন দলের নিবন্ধন দিতে যে কৌঁশলে এগোচ্ছে ইসি

নতুন দলের নিবন্ধন দিতে যে কৌঁশলে এগোচ্ছে ইসি

আগামী মাসে নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নিবন্ধনের জন্য ৭৬টি



আরো সংবাদ








ফোরজি যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

ফোরজি যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৯:১১

প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে কমিটি

প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে কমিটি

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৯:০৫





ব্রেকিং নিউজ








ফোরজি যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

ফোরজি যুগে প্রবেশ করছে বাংলাদেশ

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৯:১১

প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে কমিটি

প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেয়েছে কমিটি

১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৯:০৫