বাংলাদেশ সোমবার 18, June 2018 - ৪, আষাঢ়, ১৪২৫ বাংলা

প্রশ্নপত্র ফাঁসে ছিন্নভিন্ন দেশের শিক্ষাব্যবস্থা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশিত ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ ১৫:০২:২৪

গত চার পাঁচ বছরে প্রশ্নফাঁস বিষয়ে অভিভাবকদের অল্পসল্প ভীতি থাকলেও ২০১৮ সালে এসে এ আতঙ্ক চরম মাত্রা অতিক্রম করেছে। আতঙ্কটা অবশ্য যেক্তিকও। সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কোন অভিভাবক না চেয়ে পারেন? কিন্তু উজ্জ্বল ভবিষ্যত আসবে কোত্থেকে? পাবলিক পরীক্ষা মানেই এখন প্রশ্নফাঁস ঢাকা শহরের ট্রাফিক জ্যামের মত আতঙ্কের ব্যাপার। প্রথম আটদিনের সাথে তাল মিলিয়ে বৃহস্পকবার এসএসসি পরীক্ষা শুরুর নবম দিনেও প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটল। প্রশ্নফাঁসের মধ্য দিয়ে ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এবারের এসএসসি পরীক্ষা। প্রথম দিন বাংলার প্রশ্ন ফাঁসের পর থেকে প্রতিদিন পরীক্ষার আগে প্রশ্নফাঁস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নবম দিন ছিল রসায়ন পরীক্ষা। ফাঁস হওয়া প্রতিটি প্রশ্নের সাথে হুবহু মিল পাওয়া গেছে পরীক্ষা নেয়া প্রশ্নের সাথে। টানা প্রশ্নফাঁসের ঘটনা যে এর আগে ঘটেনি তা নয়। ২০১৪ সালে এইচএসসি পরীক্ষাসহ অনেক পাবলিক পরীক্ষায় একইভাবে প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নফাঁস হয়েছে। শিক্ষায় এ ধরনের নৈরাজ্য মানতে পারছেন না মেধাবী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা। পরীক্ষা এলেই তাই তারা হতাশায় ভেঙে পড়েন। কারণ সারা বছর কঠোর অধ্যয়ন করে পরীক্ষার প্রস্ততি নেয়ার পর যদি প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় তবে তাদের দুঃখ রাখার জায়গা থাকে না। অনেক অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশেরও ভাষা খুজে পাচ্ছেন না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানান, শুধু কি প্রশ্নফাঁসে জর্জরিত আমাদের সন্তানরা? টাকার বিনিময়ে এখন সমাপনী পরীক্ষার ফল পরিবর্তন এমনকি বৃত্তি পাইয়ে দেয়ার দুর্নীতির খবরও প্রকাশিত হয়েছে। আমরা এখন যাব কোথায়? সন্তানদের কী বলে পড়তে বসতে বলব? তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হতে বললে প্রশ্ন করে পড়াশোনা করে কী হবে। পরীক্ষার আগে তো প্রশ্নফাঁস হয়ে যাবে! প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষাব্যবস্থার নৈরাজ্যের পাশাপাশি আরেকটি চিত্র জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। তা হলো মানুষের নৈতিক অধঃপতনের চিত্র। কারণ সমাপনীসহ বিভিন্ন পরীক্ষার সময় দেখা গেছে অনেক অভিভাবক সন্তানের জন্য ফাঁস হওয়া প্রশ্ন জোগাড়ে ছুটছেন। এ ছাড়া প্রশ্নফাঁসে জড়িত অনেক শিক্ষক গ্রেপ্তার হয়েছেন। এবার গ্রেপ্তার হয়েছে ফাঁস হওয়া প্রশ্নসহ বিপুল শিক্ষার্থী। রয়েছেন শিক্ষকও। প্রায় এক দশকে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে বের হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নৈরাজ্যকর চিত্র আর ল-ভ- অবস্থা। ২০১১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ভর্তি ইচ্ছুকদের হতাশজনক ফলাফল হতে থাকে। তবে শিক্ষার প্রকৃত চিত্র একেবারে জাতির সামনে উলঙ্গ হয়ে পড়ে ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিষয়ে মাত্র দুইজন শিক্ষার্থী চান্স পাওয়ার মধ্য দিয়ে। এ ছাড়া ওই বছর ‘খ’ ইউনিটে ৯০ ভাগ শিক্ষার্থী পাস নম্বর তুলতে ব্যর্থ হয়। কয়েক বছর ধরে গণহারে জিপিএ ৫ বিস্ফোরণের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এ হতাশজনক চিত্রে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে পড়ে গোটা জাতি।

শিক্ষাব্যবস্থা বারবার ঝাঁকুনির শিকার হয়েছে একের পর এক প্রশ্নফাঁসের ঘটনায়। প্রশ্নফাঁস শুধু পাবলিক পরীক্ষায় নয়, বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায়ও অব্যাহতভাবে প্রশ্নফাঁস হতে থাকে। জাতির জন্য এক দুর্যোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি।

শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, বর্তমান পরীক্ষা পদ্ধতিতে প্রশ্নফাঁস ঠেকানো সম্ভব নয়। নতুন পদ্ধতি বের করতে হবে। একটি উপায় অবশ্যই বের করা যাবে। আগামী বছর থেকে নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়া হবে। এমসিকিউ পদ্ধতি ভালো হলেও সেটা অনেক ঝামেলা করছে এবং প্রশ্নফাঁসে সহায়ক বলে জানান তিনি। আবার নতুন করে পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর কথা শুনে আতঙ্কিত অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

এ দিকে একের পর এক প্রশ্নফাঁস হওয়ায় পরীক্ষা বাতিল চেয়ে গতকাল আদালতে রিট আবেদন করেছেন চার আইনজীবী। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এবং শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন দুইজনেই পরীক্ষার আগে বলেছিলেন প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ পেলেই পরীক্ষা বাতিল করা হবে। তবে এখন এ দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রশ্নফাঁস তদন্ত ও যাচাই বাছাইয়ের জন্য গঠিত কমিটির ওপর।

ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরীক্ষা বাতিল করা একটি বিরাট বিষয়। বাতিল করে আবার পরীক্ষা নেয়া হলে তখনো যে প্রশ্নফাঁস হবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়? তাদের কথায় এটা পরিষ্কার যে, পরীক্ষা বাতিল করার ইচ্ছা তাদের নেই।

গত কয়েক বছর ধরে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষ থেকে প্রায় প্রতিবারই তা অস্বীকার করা হয়েছে। এমনকি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় অনেককে গ্রেপ্তার এবং তদন্তে ফাঁসের ঘটনা প্রমাণিত হওয়ার পরও অস্বীকার করা হয়েছে। অবশেষে স¤প্রতি শিক্ষামন্ত্রীসহ অনেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেছেন।

এ দিকে শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থায় বারবার বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনে অতিষ্ঠ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। কারণ প্রতিটি পরিবর্তন আর নতুন ব্যবস্থার খেসারত দিতে হয় শিক্ষার্থীদের। বিশেষ করে সৃজনশীল ব্যবস্থা এখনো ভীতি আর আতঙ্ক হিসেবে বিরাজমান। এ ব্যবস্থা চালুর পেছনে কোচিং ও প্রাইভেট পড়ার দৌরাত্ম্য থেকে অব্যাহতির কথা বলা হলেও বাস্তবে সৃজনশীল ব্যবস্থা কোচিং, প্রাইভেট ও নোট গাইড নির্ভরতা আরো বাড়িয়েছে। বহুগুণে বেড়েছে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের হয়রানি ও ভোগান্তি। সব মিলিয়ে সন্তানের লেখাপড়া মানে এখন অভিভাবকদের জন্য বিরাট এক বোঝা আর দুশ্চিন্তার নাম। ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়া বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয়, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয়, গণিত, ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,পদার্থ, রসায়ন প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। তবে এবার আলোচিত বিষয় ছিল অগ্রিম ঘোষণা দিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা। অগ্রিম ঘোষণা দেয়া সত্ত্বেও তা রোধ করা যায়নি। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে গ্রহণ করা সব কৌশল ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থায় বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তনের খেসারত যেমন দিতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের তেমনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের খেসারতও দিতে হচ্ছে মেধাবী শিক্ষার্থীসহ অনেককে। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে পরীক্ষার্থীদের আধা ঘণ্টা আগে হলে প্রবেশ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ নিয়েও ক্ষুব্ধ অনেকে।

 

২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সাল ছিল পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের হিড়িকের বছর। ২০১৪ সালে প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার শুরু থেকেই প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। ফাঁস হওয়া অনেক প্রশ্নের সাথে পরীক্ষার হলের প্রশ্নের হুবহু মিলে যায়। তারপরও একটি পরীক্ষা স্থগিত ছাড়া অন্য সব পরীক্ষা চালিয়ে নেয়া হয়। ২০১৪ সালে সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নপত্র ফাঁস ছিল এইচএসসির। পরিস্থিতি বেগতিক আকার ধারণ করায় স্থগিত করা হয় ইংরেজি দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা। যদিও বাংলা, ইংরেজি প্রথমপত্র, গণিত, রসায়ন, পদার্থ বিজ্ঞানসহ বেশির ভাগ বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। কিন্তু এসব পরীক্ষা বাতিল করা হয়নি। ২০১২ সালের সমাপনী পরীক্ষায় বাংলা ও গণিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রাথমিকের সমাপনী পরীক্ষায়ও একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে থাকে। ২০১৪ সালে সমাপনী পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় ধুমধামের সাথে। ২০১৩ সালে সমাপনী পরীক্ষায় ইংরেজি এবং বাংলা বিষয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে প্রমাণিত হয়। তবু এ পরীক্ষা বাতিল হয়নি। প্রাথমিক ও গণশিা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম আশরাফুল ইসলাম তখন জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তবে পরীা বাতিল করা হচ্ছে না। শিশুদের পানিশমেন্ট দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। ২০১৩ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায়ও সব প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। গণিত, ইংরেজি প্রথমপত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে ফাঁস হওয়া করা প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়। এ ছাড়া ২০১৩ সালের ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ইংরেজি, গণিত, পদার্থ, রসায়ন, হিসাববিজ্ঞানসহ অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। কোথায় এই অব্যস্থায় পরিসমাপ্তি অথবা সুরাহা। এ প্রশ্ন এখন অভিভাবক ছাত্র সুশীল সমাজসহ সবার। প্রশ্নপত্র ফাঁসহীন পরীক্ষা কি আর হবে না?


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

বিশ্বকাপ ফুটবলে আইএস’এর জঙ্গি হামলার হুমকি

বিশ্বকাপ ফুটবলে আইএস’এর জঙ্গি হামলার হুমকি

সারাবিশ্বের ফুটবল পাগল দর্শকরা যখন গভীর আগ্রহে রাশিয়ায় সমবেত হচ্ছে বা বিভিন্ন দেশের দর্শক টেলিভিশন

হাসিনা যে সুযোগ পেয়েছেন, খালেদা কেন পাবেন না?

হাসিনা যে সুযোগ পেয়েছেন, খালেদা কেন পাবেন না?

 বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে তার পছন্দের হাসপাতালে পাঠাবে না সরকার। অথচ এক সময় শেখ হাসিনা

ভারতের নাক গলানোর অধিকার নেই : ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

ভারতের নাক গলানোর অধিকার নেই : ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আমরা এমনিতেই দেশের লোকেরা মনে করি বিএনপি জামায়েত


মাদক নির্মুলে বন্দুক যুদ্ধের নামে মানুষ খুন বন্ধ করার দাবি সুপ্রিম কোর্ট বারের

মাদক নির্মুলে বন্দুক যুদ্ধের নামে মানুষ খুন বন্ধ করার দাবি সুপ্রিম কোর্ট বারের

 মাদক নির্মুলে বন্দুক যুদ্ধের নামে মানুষ খুন বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বার। বৃহস্পতিবার

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টা

জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টা

স্টাফ রিপোর্টার : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের প্রধান ঈদ জামাত সকাল

বাংলাদেশের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

বাংলাদেশের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

বাংলাদেশের চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযানের বেশ কয়েকটি ঘটনাকে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট


রিজার্ভ চুরির অর্থ উদ্ধারে আপস চায় না বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাইয়ে মামলা

রিজার্ভ চুরির অর্থ উদ্ধারে আপস চায় না বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাইয়ে মামলা

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে চুরি হওয়া বাংলাদেশের ডলার উদ্ধারে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের

আপত্তি থাকলেও ইভিএমেই ঝুঁকছে নির্বাচন কমিশন

আপত্তি থাকলেও ইভিএমেই ঝুঁকছে নির্বাচন কমিশন

: বাংলাদেশের কিছু রাজনৈতিক দলের মধ্যে আপত্তি থাকলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইলেট্রনিক ভোটিং মেশিন বা

জাস্টিন ট্রুডোকে ভয় দেখাতে চান ট্রাম্প

জাস্টিন ট্রুডোকে ভয় দেখাতে চান ট্রাম্প

: ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের কথা। বাণিজ্য ও অর্থনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে উত্তেজনাকর



আরো সংবাদ














ব্রেকিং নিউজ