ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের তাগিদ চীন-মিয়ানমারের


রোহিঙ্গা ইস্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে  মিয়ানমারের ইউনিয়ন মন্ত্রী চ টিন্ট সোয় ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর  ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে ২৯ জুন। এই প্রসঙ্গে সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওয়ানা দেওয়ার আগে এই বৈঠকের বিষয়ে চীন আমাদের জানিয়েছিল। বৈঠকে চীন ও মিয়ানমার উভয় দেশই দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য তাগিদ দিয়েছিল।’

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা এই বৈঠকে রাজি হয়েছিলাম। কারণ মিয়ানমারের সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করতে চাই। তাদের কথা তাদের মুখ থেকে শুনতে চেয়েছিলাম।’

সরকারের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘বৈঠকে রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ আছে কিনা, সেটিও জানতে চাওয়া হয়। ওই বৈঠকেই পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাখাইনে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে মিয়ানমার রাজি হয়।’

এদিকে, পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক মঙ্গলবার (১০ জুলাই) বলেন, ‘বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরে যাওয়ার মতো সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে কিনা, তা দেখার জন্য শিগগিরই মিয়ানমারে যাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।’

সচিব বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী একটি উদ্যোগ নিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার মতো সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে কিনা, ঘরবাড়ি তৈরি হয়েছে কিনা, তাদের চলাফেরা ও ব্যবসা বাণিজ্যের কী অবস্থা হবে, সেটি দেখতে তিনি মিয়ানমারে যাবেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী কবে যাচ্ছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘শিগগিরই যাবেন। সহায়ক পরিবেশ তৈরি হয়ে গেলে প্রত্যাবাসন দ্রুত শুরু হবে বলে আশা করি। বেশ কিছু নাম যাচাই-বাছাই হয়ে গেছে। আমার মনে হয়, সহসাই প্রত্যাবাসন শুরু হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি জটিল। আমার মনে হয়, বাংলাদেশে এটি যত দ্রুত এগিয়েছে, অন্য দেশে তত দ্রুত সম্পন্ন হয়নি।’


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের  কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি