বাংলাদেশ শুক্রবার 14, December 2018 - ২৯, অগ্রাহায়ণ, ১৪২৫ বাংলা

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক: | প্রকাশিত ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১১:৪৭:৪১

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ির সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনতার উদ্দেশ্যে হাত তুলে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। বাড়ির মূল অংশের বারান্দায় রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছেন এক তরুণী। তিনি আর কেউ নন, আজকের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৯৪৭ সালের এইদিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের বড় মেয়ে। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা তাকে আদর করে ডাকতেন ‘হাসু’ নামে। পারিবারিক গভীর বন্ধনে আনন্দঘন পরিবেশে যার বেড়ে ওঠা।
জননেত্রী শেখ হাসিনার জীবনে সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামে সাহসের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাস রয়েছে। সদা হাস্যোজ্জ্বল ও দীপ্তিময় উদার মানুষ তিনি। সুখ স্বাচ্ছন্দ ত্যাগ করে যোগ দিয়েছেন দেশ গড়ার বৃহৎ কর্মক্ষেত্রে। আড়ম্বরহীন সহজ সরল জীবন যাপনের মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করে মাঠে নেমেছেন। তার রয়েছে সকলকে সুখী করার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা। তার মূল লক্ষ্য তার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার।
১৯৫৬ সালে তিনি টিকাটুলির নারীশিক্ষা মন্দির বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে থাকা শুরু করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এক সামরিক অভ্যুত্থানে তিনি ও তাঁর বোন শেখ রেহানা বাদে পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করা হয়। বোনদ্বয় সেইসময় পড়াশোনার জন্য পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। ১৯৬৫ সালে তিনি আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন।

শেখ হাসিনা ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায় ১৯৬৭ সালে ড. ওয়াজেদ মিয়ার সাথে তাঁর বিয়ে হয এবং ওয়াজেদ মিয়া ৯ মে, ২০০৯ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁদের সংসারে সজীব ওয়াজেদ জয় (পুত্র) ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল (কন্যা) নামে দুই সন্তান রয়েছেন।
আওয়ামী লীগ ১৯৮১ সালে সর্বসম্মতিক্রমে শেখ হাসিনাকে তাঁর অনুপস্থিতিতেই দলের সভাপতি নির্বাচিত করে। ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদের ক্ষমতায় আরোহনকে অবৈধ ঘোষণা করলেও তার দল ১৯৮৬ সালে এই সামরিক শাসকের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। পরবর্তীকালে তিনি এবং তার দল এরশাদ বিরোধী দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেন ও ১৯৯০ সালে অভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদ সরকারকে ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন।
০৬১২২০১৫থ০৭থঝঐঊওকঐথঐঅঝওঘঅ
১৯৯১ সালে তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের তৎকালীন বৃহত্তম বিরোধীদল হিসেবে প্রকাশ পায়। ১৯৯৬ সালে তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা তুলে ধরেন যা বর্তমানে অনেক দেশে ব্যবহার হচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে তাঁর আন্দোলনে জয়ী হওয়ায় পরবর্তীতে তার দল জাতীয় নির্বাচনেও জয়লাভ করে এবং ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বড় ব্যবধানে হেরে যায়। পরবর্তীতে ২০০৬ সালে পুণরায় আন্দোলন শুরু করেন কিছু নতুন সমস্যা নিয়ে।
 
১৯৯১ সালের স্বৈরাচার পতন আন্দোলনে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ সালে তার দল আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে বামপন্থী দলগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচীর মাধ্যমে খালেদা জিয়ার বিএনপি সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বাধ্য করে। ঐ বছর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।
বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি (নাজিউর রহমান মঞ্জু) ও ইসলামী ঐক্যজোট এর নির্বাচনী জোটের কাছে ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজিত হয়। শেখ হাসিনা দলের এই পরাজয়ের জন্য দায়ী করেন তারই মনোনীত তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ, সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এ সাঈদকে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় এক জনসভায় বক্তৃতাদানকালে গ্রেনেড হামলায় এই নেত্রী অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। উক্ত হামলায় তার দেহরক্ষী এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমানসহ ১৯ জন মৃত্যুবরণ করেন ও শতাধিক আহত হন। বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে এই হামলাকে বিদেশী ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করা হয়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো গ্রেফতার হন ২০০৭ সালে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সকাল ৭:৩১-এ যৌথ বাহিনী শেখ হাসিনাকে তার বাসভবন ‘সুধা সদন’ থেকে গ্রেফতার করে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সেখানে আদালত তার জামিন আবেদন না-মঞ্জুর করে। শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকে সাব-জেল হিসেবে ঘোষণা করে সেখানে অন্তরীণ রাখা হয়। গ্রেফতারের পূর্বে শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা জিল্লুর রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে যান। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুইটি অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। একটি হল ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্য হত্যা মামলা এবং অন্যটি হল প্রায় তিন কোটি টাকার চাঁদাবাজি মামলা। এর মাঝে একটির বাদী ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে মামলাটি তুলে নেন। জেল থেকে মুক্তিলাভের পরে তিনি চিকিৎসার্থে কয়েক মাস বিদেশে অবস্থান করেন। এরপর দেশে ফিরে দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেন।

ইতিপূর্বে সপ্তম, অষ্টম এবং নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে ড.ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় ক্ষমতা ধরে রাখা এবং রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমনের নামে মামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক এ ব্যবস্থা অবৈধ ঘোষিত হওয়া প্রভৃতি কারণে সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিলের উদ্যোগ নেয়। পরবর্তীতে নবম সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী বিল পাশের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করা হয় এবং দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। ৫ই জানুয়ারি ২০১৪ সালে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনটি নবম জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অধিকাংশ দলই বর্জন করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্রসহ ১৭টি দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৪টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় নির্বাচনটি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ৫ই জানুয়ারি রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাকী ১৪৭টি আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গত ১৮ নভেম্বর, ২০১৩ নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠিত হয়।
২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট প্রায় তিন-চতুর্থাংশ আসনে জয়লাভ করে। বিজয়ী দলের সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে তিনি জানুয়ারি ৬, ২০০৯-এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তার দল আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে ২৬০টি আসন লাভ করে। অপরদিকে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি পায় মাত্র ৩২টি আসন।
শেখ হাসিনা ২০১১ সালে বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী নারী নেতাদের তালিকায় ৭ম স্থানে রয়েছেন। তার পূর্বে এবং পশ্চাতে রয়েছেন যথাক্রমে লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট অ্যালেন জনসন সার্লেফ এবং আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জোহানা সিগার্ডারডটির। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউ ইয়র্ক টাইমস সাময়িকীর জরীপে বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর নারী নেতৃত্বের ১২জনের নাম নির্বাচিত করে
উল্লেখ্য যে, ২০১০ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমস সাময়িকীর অনলাইন জরীপে তিনি বিশ্বের সেরা দশ ক্ষমতাধর নারীদের মধ্যে ৬ষ্ঠ স্থানে ছিলেন। ঐ সময় হাসিনা জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের ঠিক পিছনে ছিলেন এবং ব্যাপক প্রভাব-প্রতিপত্তি বিস্তার করেছিলেন।
২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ৮ মার্চ বিশ্ব নারী দিবসের শতবর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্বখ্যাত সংবাদ সংস্থা সিএনএন ক্ষমতাধর ৮ এশীয় নারীর তালিকা প্রকাশ করেছিল। উক্ত তালিকায় ষষ্ঠ অবস্থানে ছিলেন শেখ হাসিনা।
৩০ ডিসেম্বর, ২০১১ সালে শেখ হাসিনাকে বাংলা ভাষার ধারক ও বাহক হিসেবে বাংলা একাডেমি তাদের বার্ষিক সাধারণ সভায় সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করে। এছাড়াও, ১২ জানুয়ারি, ২০১২ইং তারিখে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি এবং উন্নয়নে অনন্য অবদানের জন্য ভারতের ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে ডক্টর অব লিটারেচার বা ডি-লিট ডিগ্রী প্রদান করে। ২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা জয়ের জন্য তিনি সাউথ সাউথ পুরস্কার লাভ করেন ।  ২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ৭০তম অধিবেশনে পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার চ্যাম্পিয়নস অব দ্যা আর্থ পুরস্কার লাভ করেন ।  এছাড়া তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের জন্য আইসিটি টেকসই উন্নয়ন পুরস্কার লাভ করেন ।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি ‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর কন্যা এগিয়ে যাচ্ছেন। এই এগিয়ে যাওয়ার পথে সকল চ্যালেঞ্জ গ্রহণে বাংলার আপামর জনসাধারণ তাকে শক্তি যুগিয়ে চলেছে। প্রতিটি মুহূর্তে তিনি বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ আজ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিদেশে চাল রপ্তানি হচ্ছে। ৫০ লাখ মানুষকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দিচ্ছে সরকার।
 
শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছেন। তার যাত্রাপথ হোক নিষ্কণ্টক। সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার জয় হোক। তিনি দীর্ঘজীবী হোন। বাংলাদেশকে পরিণত করুন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায়। এই কামনায় তার জন্মদিনে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও ভালবাসা।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রথম নির্বাচনি সফর শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী

ঢাকায় উত্তেজনার মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের প্রচারণা শুরু

ঢাকায় উত্তেজনার মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের প্রচারণা শুরু

ঢাকা-১৮ আসনে উত্তেজনাকর পরিবেশের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলো জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। বৃহস্পতিবার

ক্ষমতায় থেকেই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো : মানিকগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতায় থেকেই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করবো : মানিকগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতায় থেকেই আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন করবো বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ


মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হচ্ছে!

মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হচ্ছে!

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা

আ.লীগ নয় ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী যেন পুলিশ : বিএনপি

আ.লীগ নয় ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী যেন পুলিশ : বিএনপি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, এবারের নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বিতা যেন আওয়ামী লীগের

আশুলিয়ায় অর্ধশত কারখানায় উৎপাদন বন্ধ 

আশুলিয়ায় অর্ধশত কারখানায় উৎপাদন বন্ধ 

 নতুন ঘোষিত মজুরি কাঠামোতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকরা তাদের দাবিতে অনড় থেকে কারখানার


সাভারে মাদক প্রতিরোধে কারিতাসের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাভারে মাদক প্রতিরোধে কারিতাসের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : সাভার প্রেসক্লাবে মাদক প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব

গুণগত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক

গুণগত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক

 গুণগত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করার ঘোষণা দিয়েছে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক।  পরিবর্তনশীল পরিবেশে

নির্বাচনে টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা করছিল জেএমবি

নির্বাচনে টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা করছিল জেএমবি

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে টার্গেট কিলিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি



আরো সংবাদ





শামসুল হকের মরদেহ শহীদ মিনারে

শামসুল হকের মরদেহ শহীদ মিনারে

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১১:৫৯

সার্ক সম্মেলনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

সার্ক সম্মেলনে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১০:৫৫

সৈয়দ শামসুল হক আর নেই

সৈয়দ শামসুল হক আর নেই

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:২৭

বিএনপি নেতা হান্নান শাহ আর নেই

বিএনপি নেতা হান্নান শাহ আর নেই

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১০:৫৬




জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:৪৪


ব্রেকিং নিউজ

ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২১:১৪







ইলিয়াসপত্নী লুনার মনোনয়ন স্থগিত

ইলিয়াসপত্নী লুনার মনোনয়ন স্থগিত

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৭:০৬