বিরোধী দলীয় নেতার গ্রামে ক্ষত-বিক্ষত সড়ক


ময়মনসিংহ : বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদের গ্রামের বাড়ি সুতিয়াখালীর উপর দিয়ে যাওয়া ময়মনসিংহ-গফরগাঁও সড়কটি এখন ক্ষত বিক্ষত। দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

 

ময়মনসিংহ থেকে গফরগাঁও পর্যন্ত এ সড়কটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় দিয়ে গেছে। নদী ভাঙনের কারণে কোন কোন এলাকায় সড়কটি রয়েছে হুমকির মুখে। নদের মাঝে ত্রিশাল অংশে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন সড়কটির কাছ পর্যন্ত চলে গেছে।

প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে শত শত যানবাহন এ সড়কে চলাচল করে। ময়মনসিংহ থেকে গফরগাঁওয়ের টোক পর্যন্ত খান বাহাদুর ইসমাইল সড়কের এ রাস্তাটি বাকৃবি শেষ মোড় থেকে সুতিয়াখালী, ভাবখালী হয়ে ত্রিশাল থানার বালিপাড়া পর্যন্ত মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ।  

তবে স্থানীয়দের এ দুর্ভোগ নিরসনে আশার বাণী শোনাতে পারেনি ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ)। প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় শিগগির সম্ভব হচ্ছে না সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করা।  

স্থানীয় ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমজান আলী বাংলানিউজকে বলেন, স্থানীয় সুতিয়াখালী বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫ হাত পরপর বড় বড় গর্ত। বিপদজনক এক রাস্তা। আমি বিরোধী দলীয় নেত্রীকে একদিন এ বিষয়ে বলেছিলাম। তিনি উদ্যোগ নিলেই দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান সম্ভব।
গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের স্থানে স্থানে ইট-সুরকি উঠে যাওয়ায় তৈরি হয়েছে খানাখন্দ। সড়কের উপর সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত। দিনের বেলা তো বটেই, রাতেও এটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। গতি কমিয়ে হেলে-দুলে এখান দিয়ে চলে ব্যাটারি চালিত ও সিএনজি চালিত অটো রিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন।
অনেক সময় এ সড়কের প্রান্তঘেঁষে চলে যানবাহনের চাকা। ভাঙাচোরা সড়কের কারণে নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে অটো রিকশা। মাত্র দু’দিন আগেও উল্টে যায় গফরগাঁওগামী পাথরবোঝাই ট্রাক। সড়কের কাহিল দশায় বছর তিনেক ধরে সদর, গফরগাঁও ও ত্রিশালবাসীর ভোগান্তির যেন অন্ত নেই।
ইট-সুরকি আর বিটুমিন উঠে গিয়ে সড়কটির বেহাল চেহারাই যেন ফুটে উঠেছে। বড় বড় গর্তের কারণে এখানে চলাচলকারী যানবাহন চালক ও যাত্রীদের নিত্যদিনই দফারফা অবস্থা।


footer logo

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের  কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি