ঝাল খাবার কম বেশি সবাই খেতে পছন্দ করেন। তবে অনেকেই আছেন যারা ঝাল খেতে একদমই পছন্দ করেন না। আবার অনেকেরই ধারণা বেশি ঝাল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তবে ধারণাটি একদমই ভুল। বরং কাঁচামরিচের ঝাল মোটেও ক্ষতিকর নয়, এই ঝালে রয়েছে অনেক উপকার।

কাঁচামরিচে ভিটামিন বি ৬, ভিটামিন এ, আয়রণ, কপার ও পটাসিয়াম আছে। শুধু খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, দারুণ ওষুধি গুণেও ভরপুর কাঁচামরিচ। জানেন কি, সকালে উঠে যদি নিয়মিত কাঁচামরিচ ভেজানো পানি পান করেন তবে পেট সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূরে থাকবে। তাছাড়া হৃদরোগের সমস্যা মেটাতেও সহায়তা করবে। চলুন জেনে নেয়া যাক কাঁচামরিচের আরো কিছু গুণাগুণ-

আরো পড়ুন : ৭ রোগ প্রতিরোধ করবে কিউই ফল

> কাঁচামরিচ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। যা প্রস্টেটজনিত সমস্যা দূর করতে সক্ষম।

> এতে থাকা ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন চোখ ও ত্বক সুস্থ রাখে। সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

> ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে কাঁচামরিচ। যাদের ব্লাড সুগারের সমস্যা আছে তারা নিয়মিত কাঁচামরিচ খেলে দারুণ উপকার পাবেন।

> কাঁচামরিচে প্রচুর ফাইবারও রয়েছে। ফুসফুস, মুখ, কোলন ও গলার ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে।

> যারা অতিমাত্রায় গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তারা কাঁচামরিচ খেলে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। এই ঝাল খেলে আপনার কোন ক্ষতি হবে না। কারণ কাঁচামরিচের ঝাল ব্যথা সারাতে দারুণ কাজ করে।

আরো পড়ুন : করোনা মোকাবেলায় ঘরেই তৈরি করুন হ্যান্ডওয়াশ

> কাঁচামরিচ খাওয়ার তিন ঘন্টার মধ্যেই আপনার শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায়। কাঁচামরিচ শরীরের মেটাবলিজম ক্ষমতা ৫০% বেশি বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

> সাইনাসের সমস্যা, মাথা ব্যথা বা ঠাণ্ডা লাগা সারাতে কাঁচামরিচের জুড়ি নেই।

> কাঁচামরিচ তাড়াতাড়ি খাবার হজম করতে সহায়তা করে।

> রাতে শোয়ার আগে তিন চারটি কাঁচামরিচ পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিন। তারপর কাঁচামরিচগুলো মাঝামাঝি চিরে এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে নিয়মিত এই পানি পান করলে শারীরিক নানা সমস্যা দূরে থাকবে।