ম্যাচের বয়স যখন ৬৩ মিনিট তখন চট্টগ্রাম আবাহনীর বিরুদ্ধে বসুন্ধরা কিংস এগিয়ে ৩-০ গোলে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নরা বড় জয়েই আগের ম্যাচে মোহামেডানের কাছে হারের ধকলটা কাটিয়ে উঠবে এবং সেটা নিজেদের মাঠ নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামে-সমর্থকরা যখন এমন আশায় বুক বাধাছিল তখনই পাল্টে যেতে শুরু করলো সব কিছু।

৬৩ মিনিট পর্যন্ত ৩-০ গোলে পিছিয়ে থাকা চট্টগ্রাম আবাহনী বাকি ২৭ মিনিটে ৪ গোল করে অবিশ্বাস্য এক জয় তুলে নিয়েছে। ৪৩ মিনিটে নাজারভ, বিরতির বাঁশির আগ মুহূর্তে দেলমন্তে এবং ৫৯ মিনিটে কলিন্দ্রেসের গোলে বড় জয়ের আভাসই দিচ্ছিলেন ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়নরা।

এইতো ৫ দিন আগে এএফসি কাপে মালদ্বীপের ক্লাব টিসি স্পোর্টসকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দেয়া দলটি ঘরোয়া লিগেও দাপটের সঙ্গে জয়ে ফিরছে- এমন বাতাসই বইছিল নীলফামারীর আকাশে। কিন্তু মারুফুল হকের দল সবকিছু বদলে দিয়েছে ভোজবাজির মতো।

৬৪ মিনিটে ব্রোসুর গোলে ৩-১, ৬৭ মিনিটে নিক্সনের পেনাল্টি গোলে ৩-২ এবং ৮৭ মিনিটে নিক্সনের দ্বিতীয় গোলে স্কোর ৩-৩ হলে ম্যাচে ফিরে আসে চরম উত্তেজনা।

খেলা ৯০ মিনিট পার হওয়ার পর সবাই যখন আলোচনা করছিলেন নিশ্চিত হার এড়িয়ে এক পয়েন্ট নিয়ে ফিরছে চট্টগ্রাম আবাহনী তখনই তাদের আরেক গোল। ইনজুরি সময়ের পঞ্চম মিনিটে চিনেদু ম্যাথু শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন বসুন্ধরা কিংসের ব্যর্থতার কফিনে। ৪-৩ ব্যবধানে অবিশ্বাস্য এক জয় নিয়ে ফিরেছে চট্টগ্রামের দলটি।

৬ ম্যাচে চতুর্থ জয় চট্টগ্রাম আবাহনীর। আছে এক ড্র। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন আবাহনীর সঙ্গে যৌথভাবে টেবিলের শীর্ষে। বসুন্ধরা কিংস পরপর দুই ম্যাচ হেরে ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে ছয়ে।