শরীরের ব্যথা সবারই কম-বেশি হয়ে থাকে। তলপেটে, কোমরে বা পিঠে ব্যথা এখন প্রায় রোজকার সমস্যার পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য চিকিৎসকেরা বরং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারের দিকেই জোর দিচ্ছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক ভিটামিন সমৃদ্ধ তেমনই কিছু খাবার সম্পর্কে, যেসব খাবার ব্যথানাশক হিসেবেও দারুণ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

আরো পড়ুন : করোনা প্রতিরোধে ঘরোয়া ওষুধ বা প্যারাসিটামল হতে পারে ক্ষতির কারণ!

মিন্ট: ব্যথা উপশমের প্রাকৃতিক টোটকা মিন্ট। ব্যথার পাশাপাশি গ্যাস ও অম্বল কমাতেও সাহায্য করে মিন্ট অয়েল।

ভার্জিন অলিভ অয়েলভার্জিন অলিভ অয়েলে রয়েছে লুব্রিসিন, যা পেশির ব্যথা ও হাড়ের সমস্যায় ভীষণ উপকারে আসে।

ব্লু বেরি: ব্লু বেরির মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা প্রদাহজনিত রোগ ও পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

হলুদ: রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অস্টিও-আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে হলুদের ভূমিকার কথা এক বাক্যে মেনে নিচ্ছেন হালের বড় বড় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও। তাদের মতে, হলুদের মতো ঘরোয়া টোটকার কোনো বিকল্প নাকি নেই। ব্যথাসহ নানা ধরনের রোগের চিকিৎসায় হলুদের গুরুত্ব রয়েছে।

আরো পড়ুন : যে ৭ জিনিস স্পর্শ করা মাত্রই হাত ধুতে হবে

স্যামন মাছযারা বাতের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন বা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য স্যামন মাছ হতে পারে দারুণ উপকারী এক খাবার। স্যামন মাছে রয়েছে ওমেগা থ্রি-ফ্যাটি অ্যাসিড, যা হৃদরোগ ও আর্থ্রাইটিসের মতো রোগ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

আদাযে কোনো ধরনের সর্দি, কাশি বা জ্বরে আদার রস খুবই উপকারী। এছাড়া ঋতুকালীন ব্যথা এবং পেশির ব্যথা কমাতেও দারুণ কাজ করে আদা।

চেরিচেরি ফলের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা পেশির ব্যথা কমাতে ভালো কাজ করে।

কুমরো বীজকুমরো বীজে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। অস্টিওপোরেসিস বা হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগের চিকিৎসাতেও কুমরো বীজ খুবই উপকারী।