মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যেসব বাংলাদেশি ছুটিতে দেশে এসেছেন বা যারা নতুন করে সেসব দেশে যেতে ভিসা করেছেন, তাদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে বলে আশ্বস্ত করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

‘করোনাভাইরাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি বিজ্ঞপ্তি’ শিরোনামে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব অভিবাসীকর্মী ছুটিতে বা অন্য কোনো কারণে দেশে এসেছেন এবং যারা নতুনভাবে কর্মসংস্থান নিয়ে বিদেশে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন, তাদের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার অনুরোধ করা হলো।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ ধরনের ভিসার মেয়াদ বর্ধিত করার বিষয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে এরইমধ্যে আশ্বাস পাওয়া গেছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী কর্মীকে করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে এর প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দেশের নির্দেশনা অনুসরণ কঠোরভাবে মেনে চলতে এবং নিজের, পরিবারের ও দেশের জনগণের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার স্বার্থে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নিজ নিজ দেশে অবস্থান করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

একান্ত অনিবার্য না হলে প্রবাসী কর্মীদের আন্তঃদেশীয় চলাফেরা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, যেসব প্রবাসী কর্মীর জন্য কোয়ারেন্টাইন প্রযোজ্য তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তা পালন করতে হবে।

নিজের এবং পরিবারের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার স্বার্থে এ নির্দেশনা আবশ্যিকভাবে পালন করতে বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সার্বিক বিষয়ে যোগাযোগের জন্য সংশ্লিষ্টদের ‘প্রবাস বন্ধু কল সেন্টারে’ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছিলেন,  ‘মধ্যপ্রাচ্যের অনেক প্রবাসী ছুটিতে দেশে এসেছেন, তারা আবার ফেরত যাবেন।  সম্প্রতি তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাদের সেসব অনিশ্চয়তা দূর করতে আমরা পাঁচ দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছি।  তারা বলেছে, বাংলাদেশের জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা রাখেনি। প্রবাসী যারা দেশে এসেছেন তাদের প্রত্যেকেরই ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে। কোনো ধরনের অসুবিধা তাদের হবে না।’