ধামরাই প্রতিনিধি : ধামরাইয়ে যুবলীগ কর্মী নুর শামিমকে মারপিট করে ৪০ লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে এমন ঘটনা জানিয়ে ঢাকা জেলার এসপি মারুফ হোসেন সরদারকে মোবাইল ফোনে জানান পৌরসভার আইঙ্গন মহল্লার নূর শামিম নিজেই। এতে ছিনতাই হওয়া টাকাগুলো উদ্ধারে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ধামরাই থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন এসপি। কিন্তু পুলিশের পুলিশের কাছে বিষয়টি মিথ্যা প্রতিয়মান হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন অভিযোগকারী শামীম।

আরো পড়ুন : সাভারে ২ প্রবাসী বরের বিয়ে বন্ধ করে হোম কোয়ারেন্টাইনে, তিন ব্যবসায়ীকে…


নির্দেশনা পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ছিনতাই হয়েছে এমন কোন প্রমাণ পাননি পুলিশ। এরপরও বুধবার রাতে নুর শামিমের মামা খোরশেদ আলম তার ভাগ্নে শামিমের কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দেন। খবর পেয়ে অভিযুক্তরা থানায় হাজির হয়ে ঘটনাটি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন দাবি করেন। শামীম শত্রতাবশত তাদের হেনস্তা করতে এ অভিযোগ করেছেন বলে জানান।

আরো পড়ুন : করোনা পরীক্ষার কিট উৎপাদনের অনুমতি পেয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র


এদিকে ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বিষয়টি এসপিকে জানান। পরে নুর শামীম এতো টাকা কোথায় পেল, কোন কাজে টাকাগুলো ব্যয় করা হবে, কে কে টাকা দিয়েছে, কোন ব্যাংক থেকে টাকাগুলো উত্তোলন করেছে, টাকা নিয়ে কোথায় যাচ্ছিলেন আর কেনইবা এতগুলো টাকা নিয়ে সে একা রিকসায় গেলেন তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন এসপি মারুফ হোসেন সরদার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা।
এদিকে অভিযোগের তদন্তকারী এসআই ফরহাদ হোসেন ছোটন জানান, মারপিটে আহত নুর শামিম ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। তাকে কোন কিছু জিজ্ঞাসা করা সম্ভব হয়নি। তবে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা সঠিক নয়। উভয়পক্ষ আপোসের চেষ্টা করছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সন্ধ্যায় পৌরসভার আইঙ্গণ মহল্লায়।

আরো পড়ুন : সাভারে সকল পর্যটন কেন্দ্র পার্ক দর্শনীয় স্থান বন্ধ ঘোষণা

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর পৌর যুবলীগের সাংঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন জানান, বুধবার সন্ধ্যায় একটি রাইস মিলের ট্রাক থামিয়ে চালকের কাছে টাকা দাবি করে শামিম। এতে লোকজন প্রতিবাদ করলে শামিম তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। এ নিয়ে কিল-ঘুষির ঘটনা ঘটে। এতে শামিমের নাক দিয়ে রক্ত ঝরে। ছিনতাইয়ের কোন ঘটনা ঘটেনি। হয়রানিমূলক মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান কাউন্সিলর আরিফ।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, শামিম হাসপাতালে ভর্তি আছে বিধায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না আপাতত।