বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে রূপ নিয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এ ভাইরাসে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় আড়াই লাখ। এ ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হলে অন্তত তাকে লোক সমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।

এর আগে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের মধ্যকার একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় এক ভ্ক্ত এসে মাশরাফিকে জড়িয়ে ধরে। করোনা সংকটে এমনভাবে আর ধরা যাবে না বলে জানালেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

ভক্তদের জন্য করোনা সচেতনায় বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন মাশরাফি।

সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘না, এভাবে কাছে আসা যাবে না! না, নিজের পরিচিত কিংবা দূরের কাউকে জড়িয়ে ধরা যাবে না!
যা করা যাবে: নতুন করোনভাইরাস রোগ সম্পর্কে কথা বলুন (কোভিড-১৯)

যা করা যাবে না: রোগের সাথে এর ভৌগলিক অবস্থান বা জাতিসত্তা সংযুক্ত করা যাবে না। মনে রাখবেন, ভাইরাসটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী, জাতি বা বর্ণের মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে না।

যা করা যাবে: কোভিড-১৯ আছে এমন লোক সম্পর্কে, কোভিড-১৯ এর জন্য চিকিত্সা গ্রহণ করছে এমন লোক সম্পর্কে, কোভিড-১৯ থেকে সুস্থতা লাভ করেছেন এমন লোক সম্পর্কে বা কোভিড-১৯ সংক্রমণের পরে মারা যাওয়া লোক সম্পর্কে কথা বলা যাবে।

যা করা যাবে না: এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের কোভিড-১৯ এর ‘শিকার’ হিসেবে উল্লেখ করা যাবে না।

যা করা যাবে: কোভিড-১৯ ব্যক্তিদের সংক্রমণের বিষয়ে কথা বলুন।

যা করা যাবে না: কোভিড-১৯ আক্রান্ত লোকেরা ‘অন্যকে সংক্রামিত করে’ বা ‘ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়’- এসব বলা যাবে না কারণ এটি ইচ্ছাকৃতভাবে সংক্রমণ ছড়ানো বোঝায় এবং দোষ চাপিয়ে দেয়।

যা করা যাবে: বৈজ্ঞানিক তথ্য এবং সর্বশেষ অফিসিয়াল স্বাস্থ্য পরামর্শের ওপর ভিত্তি করে কোভিড-১৯ এর ঝুঁকি সম্পর্কে সঠিকভাবে কথা বলুন।

যা করা যাবে না: অসমর্থিত গুজবের পুনরাবৃত্তি এবং আতঙ্ক ছড়ায় এমন ভাষা ব্যবহার করা যেমন ‘প্লেগ’, ‘অ্যাপোক্যালিপস’ ইত্যাদি।

যা করা যাবে: ইতিবাচকভাবে কথা বলুন এবং হাতধোয়া সম্পর্কিত টিপস অনুসরণ করে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর জোর দিন। বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে এটি এমন একটি রোগ যা তারা কাটিয়ে উঠতে পারে। নিজেকে, প্রিয়জনদের এবং সবচেয়ে দুর্বলকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা সকলেই নিতে পারি এমন সহজ পদক্ষেপ।