সারাবিশ্ব এখন করোনার কাছে অসহায়। চীনের উহানের সামুদ্রিক বাজার থেকে ছড়ানো এই মারণ রোগ এখন বিশ্বব্যাপী মহামারী। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভয়াবহতা দিন দিন বাড়ছেই। সারাবিশ্বে ১০ সহস্রাধিক লোকের মৃত্যু হয়েছে এ রোগে। আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় আড়াই লাখ মানুষ। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ। এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। তবে এত কিছুর পরও আতঙ্ক কাটছে না গর্ভবতী নারীদের। গর্ভবতী নারীদের আতঙ্ক গর্ভস্থ সন্তানের দেহে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে না তো। তবে এই সমস্যার মধ্যেও সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কোনোভাবেই মায়ের থেকে সন্তানের দেহে সংক্রমিত হয় না করোনা ভাইরাস।

আরো পড়ুন : সাবান কি ভাইরাস মারতে সক্ষম, কতটা কার্যকর হ্যান্ড স্যানিটাইজার?

‘ফ্রন্টিয়ার ইন পেডিয়াট্রিকস’ জার্নালে এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে গোটা বিশ্বের মধ্যে চীনে সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত। সে দেশের যে সমীক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, তাতে দেখা গেছে– ভূমিষ্ঠ সন্তানের দেহে ছড়ায়নি করোনাভাইরাস।

ইউহানের ইউনিয়ন হাসপাতালে চারজন করোনা আক্রান্ত গর্ভবতী নারী ছিলেন। তাদের সন্তান জন্মের পর তাদের সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু সন্তানদের মধ্যে করোনার কোনো উপসর্গ পাওয়া যায়নি।

হাউঝং ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির তরফে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত কোনো সদ্যজাত কোভিড-১৯ নিয়ে জন্ম নেয়নি।

আরো পড়ুন : চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত প্যারাসিটামল নয়

জন্মের পর অনেক শিশুর শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। তবে তার মানে এই নয় যে, ওই শিশুর করোনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, সিজারের বদলে নরমাল ডেলিভারি হলে করোনার সম্ভাবনা থাকে না। তবে এই প্রসঙ্গে আরও গবেষণার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তথ্যসূত্র: কলকাতা২৪