করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভীতি থেকে অবসাদে ভোগা, মনের উপর বাড়তি চাপ পড়া, হতবিহ্বল হয়ে পড়া, আতঙ্কিত হওয়া বা রেগে যাওয়া স্বাভাবিক। এই সময় আপনি যাদের উপর আস্থা রাখতে পারেন তাদের সঙ্গে কথা বলুন, পরামর্শ নিন। স্বজন আর বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন।

আরো পড়ুন : শিশুদের নিয়ে ভ্রমনে গ্রহণ করুন কিছু বিশেষ সতর্কতা

আপনি যদি বাড়িতে থাকতে বাধ্য হন তাহলে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন। সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান, হালকা ব্যায়াম করুন এবং বাসায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভালো সময় কাটান। বাইরের বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়দের সঙ্গে টেলিফোন, ইমেইল বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে যোগাযোগ করুন।

Manosik-3.jpg

ধূমপান, তামাকজাত দ্রব্য, অ্যালকোহল বা অন্যকোনো নেশাজাত দ্রব্য গ্রহণ করে আপনার মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করবেন না। নিজের উপর যদি খুব বেশি চাপ বা স্ট্রেস বোধ করতে থাকেন তাহলে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কর্মীর সঙ্গে কথা বলুন। যদি প্রয়োজন হয় তবে কীভাবে, কার কাছ থেকে, কোথায় আপনি শারীরিক বা মানসিক সমস্যার জন্য সাহায্য গ্রহণ করবেন তার একটি আগাম পরিকল্পনা তৈরি করে রাখুন।

আরো পড়ুন : তালু নয়, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢাকুন বাহু দিয়ে

কেবল মাত্র সঠিক তথ্য সংগ্রহ করুন। বিশ্বাসযোগ্য সূত্র থেকে এমন তথ্য নিন যেগুলো আপনাকে ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সাহায্য করবে। তথ্যের এমন একটি বিশ্বাসযোগ্য বিজ্ঞানসম্মত উৎস ঠিক করে রাখুন যে কেবলমাত্র সেগুলোর উপর ভরসা করবেন। যেমন- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট বা সরকার হতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

Manosik-3.jpg

দুশ্চিন্তা বা অস্থিরতা কমাতে আপনি বা আপনার পরিবার প্রচারমাধ্যমে করোনাভাইরাস সংক্রমণ আর এর পরিণতি নিয়ে বিপর্যস্তকর সংবাদ শোনা বা দেখা কমিয়ে দিতে পারেন।

অতীতে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় আপনার দক্ষতাগুলোর কথা আরেকবার মনে করুন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে করোনাভাইরাস সংক্রমনের সময় আপনার মানসিক চাপ কমাতে পূর্বের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করুন।