ক্রিকেট ছেড়েছেন বেশ কয়েকবছর আগেই। তবে নিয়মিতই খবরের শিরোনামে থাকেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। পাকিস্তানের বেশিরভাগ সাবেক ক্রিকেটার যেখানে নেতিবাচক খবরেই শিরোনাম হন বেশিরভাগ সময়ে, সেখানে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আফ্রিদি।

যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে সবার আগে আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেন এ লেগস্পিনিং অলরাউন্ডার। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনেক আগেই চালু করেছেন শহিদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন। যেখান থেকে নিয়মিতই মানবতার সেবা করা হয়।

বর্তমানে সারাবিশ্ব জর্জরিত প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আক্রমণে। ব্যতিক্রম নয় আফ্রিদির দেশ পাকিস্তানও। সে দেশে এখনও পর্যন্ত ৬৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। এর মধ্যে মারা গিয়েছেন ৩ জন, আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন আরও ৭ জন।

সারাদেশেই এখন বিরাজ করছে আতঙ্ক। জনজীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। এমতাবস্থায় দেশের অসহায়-দুস্থ নাগরিকদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে আফ্রিদির ফাউন্ডেশন। সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি ছাড়াও, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় অতীব জরুরি জিনিসপত্রও সরবরাহ করছে আফ্রিদি ফাউন্ডেশন।

এ বিষয়ে জানিয়েছেন খোদ আফ্রিদি। নিজের ফাউন্ডেশনে এরই মধ্যে আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হয়ে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে সবিস্তর এক বার্তা দিয়েছেন আফ্রিদি। জাগোনিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো সেটি:

‘মহামারী কোভিড-১৯ এর এই সময়ে আমাদের সকলের দায়িত্ব একে অপরকে সাহায্য করা এবং অনগ্রসর মানুষদের কথা মাথায় রাখা। সচেতনতা সৃষ্টি, সতর্কতামূলক তথ্য দেয়ার মাধ্যমে কোভিড-১৯’র বিপক্ষে লড়ার জন্য আমি আমার কাজটা করে যাচ্ছি।

শহিদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন এখন মন দিয়েছে তার স্বাস্থ্য বিষয়ক মিশনে। এরই মধ্যে অনেক জায়গায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানান নির্দেশনা দেয়া হছে। করোনাভাইরাসের উপসর্গ বা সন্দেহভাজনদের রাখার জন্য একটি আইসোলেশন ওয়ার্ডও খোলা হয়েছে।

আমাদের ফাউন্ডেশন ‘নটআউট থাকার আশা’ মিশনটি চালিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আমরা জীবিকা হারানো প্রত্যেককে প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যাদি দিয়েছি। যাতে করে এ সময়টায় তারা টিকে থাকতে পারে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো নিজেদের যত্ন নিতে এবং বাড়িতেই নিরাপদ থাকতে।’