রাতে বিছানায় শুয়ে অন্তত কয়েক পাতা বই না পড়লে ঘুম আসে না। সকালে কাগজটা নিয়েও সোফায় গা এলিয়ে দেওয়ার অভ্যাস বহু মানুষের। শুয়ে শুয়ে পড়ার অভ্যাস বহু কচিকাঁচার। শিরদাঁড়া টান টান করে বসে সন্তানকে পড়ার কথা বললেও গা দেয় না অনেকেই। অনেক সময় অভিভাবকও কড়া হন না। ফলে শুয়ে শুয়ে পড়ার অভ্যাস তৈরি হয়ে যায় খুদে পড়ুয়াদেরও। বহু বইপ্রেমীর অভ্যাস ট্রেনে-বাসে শুয়ে-বসে বই পড়া। সব সময় যে বইয়ের থেকে চোখের দূরত্ব সমান থাকে, তা নয়। এমনকী সঠিক অ্যাঙ্গেল বজায় রেখেও যে পড়া হয়, তাও নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও বই পড়া অনেক সময়ই এড়ানো যায় না। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়ম না মেনে পড়লে বিপদ। অচিরে বারোটা বাজতে পারে চোখের।

আরো পড়ুন : তোতলামো দূর করতে

চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসার সম্ভাবনা। চোখের অংশে কমে যেতে পারে রক্ত চলাচল। অ্যাস্থেনোপিয়ার শিকার হতে পারেন। চোখের অশ্রুগ্রন্থির পানি শুকিয়ে যেতে পারে। চোখের পেশির কাজে বাধা তৈরি হয়। ফলে, প্রভাব ফেলে মাথার পেশিতেও। কমে যেতে পারে ঘুমের পরিমাণ। অ্যাংজাইটি, অস্থিরতা বাড়তে থাকে দিনের পর দিন।

আরো পড়ুন : করোনায় কাজের বুয়া

চোখের জন্যই আমাদের চারপাশের পৃথিবী আরও সুন্দর। সব অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে সেনসিটিভ অঙ্গও বটে। তাই বড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটার আগে সাবধান। শুয়ে পড়ার অভ্যাস ছাড়ুন।- জি ২৪ ঘন্টা