কালোজিরা চিনে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে। কালোজিরার বোটানিক্যাল নাম হলো ‘নাইজিলা সাটিভা’ (Nigella sativa)। ক্ষীর, পায়েস, পান, পিঠাপুলিসহ বেশকিছু তেলেভাজা খাবারে ভিন্ন স্বাদ আনতে সচরাচর কালোজিরা ব্যবহার হয়। মসলা হিসেবে কালোজিরার চাহিদা অনেক। কালোজিরার বীজ থেকে পাওয়া যায় তেল, যা মানব শরীরের জন্য খুব উপকারী। এতে আছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস। এ ছাড়া এতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক কেরটিন, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান এবং অম্ল রোগের প্রতিষেধক।

আরো পড়ুন : করোনায় কাজের বুয়া

কালোজিরা গাছের বীজে প্রায় ১০০টি রাসায়নিক যৌগ আছে। এতে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি বিদ্যমান। কালিজিরার অন্যতম উপাদানের মধ্যে আছে নাইজেলোন, থাইমোকুইনোন ও মিক্সড অয়েল। এতে আরও আছে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিডসহ নানা উপাদান।

কালোজিরার তেলে পাওয়া যায় লিনোলেইক অ্যাসিড, ওলেইক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি। এর মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান।

আরো পড়ুন : কী খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে

শরীরকে সুস্থ রাখতে আপনি প্রতিদিন কালোজিরা বা এর তেল খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। তবে সতর্ক থাকতে হবে যে, গর্ভাবস্থায় ও দুই বছরের কম বয়সের শিশুদের কালোজিরার তেল সেবন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা যাবে।