করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যেই সারা বিশ্বে ঝরে গেছে কয়েক হাজার প্রাণ। এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে দেশে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন।

এর মধ্যে বয়স্করাই বেশি কোভিড-১৯ এর ভয়াল থাবার ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা। বয়সে যারা প্রবীণ তারা বেশিরভাগ সময় নিজেরা নিজেদের খেয়াল রাখতে পারেন না। আবার বেশি বয়সের ফলে কেউ কেউ শিশুদের মতোও হয়ে যান।

এ ক্ষেত্রে আমাদের বাড়ির বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। যাতে আমাদের অসতর্কতা, অসাবধানতা বা কাণ্ডজ্ঞানহীনতার জন্য যেন এমন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, যার ফলে বাড়ির বয়স্কদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।

এজন্য বয়স্কদেরও কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। কী সেগুলো?

# সংকটপূর্ণ এই সময়ে শুয়ে-বসে পুরোপুরি অলস জীবন কাটাবেন না। তা না করে এই সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্য, বিশেষ করে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে বেশি করে সময় কাটান।
# পরিমাণে কম তেল, ঝাল, মশলা মিশ্রিত খাবার খান।
# কোনো অবস্থাকেই ফ্রিজে রাখা বাসি খাবার খাবেন না।
# যতটা সম্ভব নরম খাবার খেতে হবে।
# প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং ডিহাইড্রেশন এড়িয়ে চলুন। কোনো অবস্থাতেই ঠান্ডা পানি বা কোমল পানীয় খাবেন না।

# মদ্যপান ও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন। বিশেষ করে সিওপিডি বা হাঁপানি যাদের আছে তাদের জন্য এসব অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
# দুপুরের মধ্যেই গোসল সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। দেরি হয়ে গেলে গোসল থেকে বিরত থাকুন। তবে বিকালে একেবারেই গোসল করবেন না।
# ঘরের মধ্যেই হালকা জগিং, যোগাভ্যাস করুন।
# সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়ার কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তার দেখান। প্যারাসিটামল, সেটিরিজিন বা লিভোসেটিরিজিন ছাড়া অন্য কোনও ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না।
# বাড়িতে অবস্থানকালেও মাস্ক ব্যবহার করুন। সার্জিক্যাল বা মেডিকেল মাস্ক পরুন এবং ব্যবহারের পর সেটি ঢাকনাযুক্ত বিনে ফেলে দিন।