বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। দক্ষিণ আফ্রিকাতেও চলছে তিন সপ্তাহের লকডাউন। এখন দেশের বাইরে যাওয়া নিষেধ; কিন্তু এরই মধ্যে বাইরে যাওয়ার রাস্তা পাকাপোক্ত করে ফেলেছেন প্রোটিয়া টেস্ট অফস্পিনার ড্যান পিট।

না, ঘুরতে বা বেড়াতে নয়। ড্যান পিট একদম দেশ ছেড়ে দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। উন্নত জীবনের অভিলাষে স্থায়ী আবাস গড়তে চান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

৩০ বছর বয়সী পিট দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৯টি টেস্ট খেলেছেন। নিয়েছেন ২৬ উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলে যে তার সব আশা শেষ হয়ে গেছে, এমনও নয়।

গত বছরের অক্টোবরেই ভারতের বিপক্ষে রাঁচি টেস্ট খেলেছেন; কিন্তু জাতীয় দলের লাইনআপে থাকলেও এখন উচ্চাশা পেয়ে বসেছে এই অফ-স্পিনারকে। তাই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাবেন পিট। খেলবেন নতুন মাইনর টি-টোয়েন্টি লিগ টুর্নামেন্টে, যেটি এই গ্রীষ্মে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করবে।

মূলতঃ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে খেলার আশাতেই দেশ ছাড়ছেন পিট। খেলতে চান বিশ্বকাপেও। দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ অঙ্গরাজ্যে নিজের হোমটাউন কেনিলওর্থে ‌‘ক্রিকইনফো’কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‌‘যুক্তরাষ্ট্র গতবছর ওয়ানডে স্ট্যাটাস পেয়েছে। তাই এমন ভাবনাকে (তাদের হয়ে খেলা) বাইরে রাখার উপায় নেই।’

অর্থ আর উন্নত জীবনের আশায় হাজার কিলোমিটার দূরে চলে যাওয়াটা কঠিন সিদ্ধান্ত মানছেন পিট; কিন্তু সুযোগটা তিনি হাতছাড়া করতে চাননি। প্রোটিয়া অফস্পিনার বলেন, ‘আজ সকালে আমি চুক্তি সাক্ষর করেছি। তবে কেউই আসলে জানি না কখন আমি যেতে পারব। আর্থিক এবং জীবনমানের দিক থেকে দেখলে এটা এমন একটা সুযোগ যেটা আমি ছাড়তে চাইনি। তবে অবশ্যই খুব কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল।’

এর আগে আর্থিক সুরক্ষার কথা ভেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়েছেন মরনে মরকেল, কাইল অ্যাবট, রাইলি রুশোর মতো ক্রিকেটাররা। এবার দেশের মায়া ত্যাগ করলেন পিটও।