পাওয়ার প্লে মানেই মারকাটারি ব্যাটিং। টি-টোয়েন্টিতে তো কথাই নেই, মারতে হবে সাত পাঁচ না ভেবেই। এই ফরমেটে প্রথম ৬ ওভারে ইনার সার্কেলের বাইরে থাকতে পারেন মাত্র দুজন ফিল্ডার। সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানের বিকল্প নেই।

টি-টোয়েন্টিতে বিধ্বংসী এই ব্যাটিংটা করতে পারেন কে? সবাই হয়তো বলবেন ক্রিস গেইল কিংবা আন্দ্রে রাসেলের কথা। রাসেল অবশ্য অনেক পরে নামেন ব্যাটিংয়ে, প্রথম ৬ ওভারের পাওয়ার প্লে তার পাওয়া হয় না বেশিরভাগ সময়ই। সেক্ষেত্রে গেইলের নাম আসতে পারে কিংবা আসতে পারে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের স্তম্ভ বিরাট কোহলির কথা।

তবে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক স্পিনার ব্র্যাড হগের তালিকায় সেরা তিন পাওয়ার প্লে ব্যাটসম্যানের মধ্যেও জায়গা হলো না গেইল-কোহলির। বরং ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যিনি জায়গা পেয়েছেন, তিনি জাতীয় দলে নেই অনেক দিন। সুরেশ রায়নাকে পাওয়ার প্লে’র অন্যতম বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান মনে হয় হগের।

বাকি দুজন কে? হগের পছন্দের পাওয়ার প্লে ব্যাটসম্যানের তালিকায় আছেন স্বদেশি ডেভিড ওয়ার্নার আর ইংল্যান্ডের জস বাটলার। তার মধ্যে সবার ওপরে ওয়ার্নারকেই রাখছেন সাবেক এই অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে পোস্ট করা এক ভিডিওতে হগ বলেন, ‘সবার ওপরে ডেভিড ওয়ার্নার। অফসাইডে সে খুবই শক্তিশালী, উইকেটে দৌড়াতেও পারে দ্রুত, সে খুবই ব্যস্ত ব্যাটসম্যান।’

সঙ্গে যোগ করেন, ‘রায়না চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে যেখাবে খেলে সেটিও আমার ভালো লাগে। সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্রিজে যায় এবং ইনিংসটা চাঙ্গা করে তোলে। সে নির্দিষ্ট কিছু বোলারকে টার্গেট করে এবং স্ট্রাইক রোটেটও ভালো, আমি তাকে দুই নম্বরে রাখব।’

বাটলারকে নিয়ে হগ বলেন, ‘সে লম্বা এবং পেস ব্যবহার করে খেলতে পারে। পাওয়ার প্লের চাপের সময়ে সে ওপরে মারার বদলে ফিল্ডারদের গ্যাপটা ব্যবহার করে ভালো। সে টাইমিংয়ের ওপর খেলে। যদি সে ভালো ছন্দে থাকে আর বোলার ডিফেন্সিভ হয়, তবে তো পেয়ে বসলো। তার এই বৈচিত্র্যটা আমার খুব ভালো লাগে।’