নিয়ম মেনে বাড়িতেই থাকছেন সে তো বেশ ভালো কথা। বাড়িতে থাকলে অন্যান্য সময়ের চেয়ে একটু বেশিই খাওয়া হয়, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণ রুখতে বাড়িতে কী ধরনের বাসনপত্রে খাওয়াদাওয়া করছেন, সেগুলো যথাযথ ভাবে পরিষ্কার করা হচ্ছে কি না, সেটাও কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। চিকিৎসকেরা বলছেন, কোন ধরনের বাসনপত্রে আমরা খাওয়াদাওয়া করবো, সেটা আগে জেনে নেয়া দরকার।

আরো পড়ুন “: করোনায় রান্নাঘর জীবাণুমুক্ত রাখতে যা করবেন

একটা সময় তামা বা পিতলের থালা, বাটিতে খাবার খাওয়ার চল ছিল। তামা বা পিতলের গ্লাসে পানি খাওয়া হতো। এখন আর রান্নাঘরে বা ডাইনিং টেবিলে তামা বা পিতলের থালা, বাটি, গ্লাস দেখা যায় না। তার জায়গায় চলে এসেছে স্টেনলেস স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম, কাচের বা আনব্রেকেব্ল পদার্থে তৈরি ডিশ, প্লেট, বাটি, এমনকী গ্লাসও। পানি খাওয়ার জন্য ব্যবহার হয় প্লাস্টিকের বোতল। দিনের পর দিন একই বোতলের পানি খাওয়া হয়।

Bason-1

চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা সংক্রমণের জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে রান্নাবান্না ও খাওয়ার বাসনপত্র নির্বাচনে অনেক বেশি সতর্ক হতে হবে। সেগুলো সবসময় পরিষ্কার, পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে আরও বেশি যত্নবান হতে হবে।

আরো পড়ুন “: চকলেটের ইতিহাস

সবচেয়ে ভালো স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের বাসনপত্রে রান্নাবান্না করা। আর স্টেইনলেস স্টিল, কাচ বা আনব্রেকেব্ল পদার্থে তৈরি ডিশ, প্লেট, বাটিতে খাওয়াদাওয়া করা।

Bason-2

পানি খাওয়ার গ্লাসও কাচের হলেই সবচেয়ে ভালো। কারণ, এসব পদার্থের উপর ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস অনেকক্ষণ বেঁচে থাকে এমন প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। তবে এসব পদার্থে তৈরি ডিশ, প্লেট, বাটি, গ্লাস সব কিছুই এখন আরও ভালোভাবে ধুয়ে ও মুছে নিতে হবে। পানির বোতল প্লাস্টিকের না হলেই সবচেয়ে ভালো হয়।

এখন স্টেইনলেস স্টিলের বোতলও পাওয়া যায়। তাতেই পানি খাওয়া ভালো। আর যদি প্লাস্টিকের বোতলে পানি খেতেই হয়, তাহলে এক থেকে দু’দিন পরপর সেই বোতল ফেলে দিয়ে নতুন বোতল এনে তাতে পানি ভরে রাখা উচিত। নাহলে বোতলের নিচে থিতিয়ে পড়া অংশে ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস বাসা বাঁধতে পারে।