জ্বর কাশি গলা ব্যথা হলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই,

আবহাওয়া বদলাচ্ছে। প্রকৃতিতে একবার বাতাস তো আবার কাঠ ফাটা রোদ। মনে হয় যেনো প্রকৃতি শান্ত হয়ে আছে। তবে এই শান্ত পরিবেশে আছে স্তব্ধ আতঙ্ক। বছরের এই সময়টাতে সর্দি-কাশি কিংবা জ্বর হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এগুলো সাধারণ জীবনযাপনের অংশ। কিন্তু করোনাভাইরাস এসে সব হিসাব-নিকাশে তালগোল পাকিয়ে দিয়েছে।যেহেতু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ ভাইরাল ফিভারের প্রায় কাছাকাছি, তাই বেড়েছে বিপদ। কারও মধ্যে এধরনের কোনও লক্ষণ দেখতে পেলেই আশপাশের সবাই অবিশ্বাসের চোখে তাকাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দুটো কাজ করুন সবার আগে- উদ্বিগ্ন না হয়ে প্রথমেই নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা করে নিন, আর বারবার হাত ধুয়ে নিতে হবে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনও পর্যন্ত আমাদের দেশে করোনা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান যে জায়গায় রয়েছে তাতে বিগত দুই সপ্তাহের ভেতরে যদি আপনি বিদেশ থেকে না ফেরেন, কোনো বিদেশির সংস্পর্শে না আসেন তাহলে এখনই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন ফোনের মাধ্যমে। সাধারণত গরম পানির ভেপার নিলে, হালকা প্যারাসিটামল বা অ্যান্টি অ্যালার্জিক খেলেই এই সমস্যা দু‌’-একদিনে কমে যাওয়ার কথা। তা না হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতেই হবে। তবে এই সময়টা নিজেকে একটা ঘরে রাখা উচিত। তাহলেই সংক্রমণ ঠেকানো সম্ভব।এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হওয়াটা স্বাভাবিক। আপনি কাশি দিলেও অন্যরা সন্দেহের চোখে তাকাবে। তার চেয়েও বড় কথা, রোগটা আরও বিরাট আকার ধারণ করবে কি না, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। তাই সতর্ক থাকা ভালো, তবে অযথা আতঙ্কিত হয়েও লাভ নেই। জ্বর, কাশি, গলা ব্যথা হলে করণীয়. হালকা গরম পানিতে গোসল করুন। এতে নিজেকে ঝরঝরে লাগবে।
. এসি ব্যবহার কমিয়ে ফেলুন। অফিসে পারলে হালকা জ্যাকেট বা শোয়েটার পরে কাজে বসুন। রাখতে পারেন হালকা চাদরও।
. রোদ থেকে এসেই এসির মধ্যে ঢুকবেন না।
. গলা ব্যথা হলে কুসুম গরম পানি পান করুন। নইলে বার বার আদা, লেবুর চা খান।
. ফ্যানের স্পিড কমিয়ে দিন, গায়ে হালকা চাদর দিন।
. ঘুমাতে যাওয়ার আগে কুসুম গরম পানি পান করুন।
. ঠাণ্ডা পানীয় বা খাবার থেকে দূরেই থাকুন।
. ভিটামিন সিজাতীয় খাবার বেশি খান। 
. জ্বর হলে রক্ত পরীক্ষা কিন্তু করতেই হবে। সূত্র: নিউজ18