ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার : সাভারে করোনা ভাইরাসের ফলে আরোপিত সরকারি বিধি নিষেধ মানা হচ্ছে না। বিশেষ করে পাড়া মহল্লার চায়ের দোকান, পানের দোকান, ক্যারাম বোর্ড খেলার দোকানসহ মোড়ে মোড়ে প্রচুর সংখ্যক মানুষের ভীড় চোখে পড়ার মত। কিন্তু এ ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেই কোন তদারকি।

আরো পড়ুন : সাভারে হোম কোয়ারেন্টিনে ১১১ জন, ৭২ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে


সরেজমিন সাভার পৌরসভার ইমান্দিপুর, মজিদপুর, রাজাশন, ডগরমোড়া, স্মরণিকা আবাসিক এলাকা, ব্যাংক কলোনী, রেডিও কলোনীসহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লার মোড়ে মোড়ে চায়ের দোকান, পানের দোকান, ক্যারাম বোর্ড খেলার দোকান, রড সিমেন্টের দোকান. স্যানিটারি দোকান, টেইলরিংশ শপ, গ্রীল ওয়ার্কশপ, ফার্নিচারের দোকান, হার্ডওয়ারের দোকানসহ অধিকাংশ দোকান খোলা রয়েছে। কোন কোন চায়ের দোকানে সকাল সন্ধ্যা ভীড় দেখা যাচ্ছে। লোকজন করোনা ভাইরাস সংক্রামণের বিষয়টি আমলে না নিয়ে দোকানগুলোতে উচ্চ ভলিয়মে টিভি ছেড়ে সিনেমা, নাটক দেখছে
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাভার বাসস্ট্যান্ডের রাজ্জাকের কাঁচা বাজার সংলগ্ন একাধিক চায়ের দোকানিকে খোলা রাখার বিষয়টি জানতে চাইলে তাদের সাফ জবাব মানুষ চা পান খায় তাই খোলা রাখি। বন্ধ রাখলে তারাই খাবে কি আর আমারাই কেমনে চলব। প্রায় একই উত্তর ইমান্দিপুর চৌরাস্তার এক দোকানির। দক্ষিণ রাজাশনের এক দোকানিকে জিজ্ঞেস করতেই উত্তর আমাদের এখানেতো পুলিশ আসেনি। দোকান বন্ধ রাখার জন্যতো কেউ কিছ বলেননি। তবে বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনার বিষয়টি তিনি জানেন বলে জানান।

আরো পড়ুন : আশুলিয়ায় অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, আটক ২


আইচানোয়ার্দা ও ডগরমোড়া এলাকার হার্ডওয়ার ব্যাবসায়ি, টেইলারিং শপের মালিক, রাজাশনের সিমেন্টের দোকানি সকলে প্রায় একই সুরে কথা বলেন। তারা জানান, মানুষের কাজ কর্ম নেই। ঘরে বসে আছেন। তাই প্রায়ই বের হয়ে পাড়া মহল্লার দোকনগুলিতে ভীড় করেন। আবার কেউ কেউ জানান পুলিশ এসে খোলা না রাখতে বললেও কাস্টমার এসে দোকান খুলতে বলায় খুলে বসেছি। সারাদিন বাসায় কিভাবে থাকবো।

আরো পড়ুন : সাভারের ৬টিসহ ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা


এ বিষয়ে সাভার থানার ওসি এ এফ এম সায়েদ বলেন, আমরা দিন রাত মাইকিং করে মানুষকে সতর্ক করছি। চা পানের দোকানসহ বিভিন্ন দোকান বন্ধ রাখতে কঠিন নির্দেশনার পরও কেউ কেউ তা মানছে না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের আমাদের অজান্তে খোলা রাখছে। আমরা সংবাদ পেলে অভিযান চালিয়ে বন্ধ করে দেই।