কারও সঙ্গে না মিশলে তার সম্পর্কে অনেক ধারণাই হতে পারে। যেমনটা হয়েছিল পাওলো দিবালার। লিওনেল মেসির দেশ আর্জেন্টিনায় এমনিতেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো তেমন জনপ্রিয় নন। কারণটাও সবার জানা। ঘরের ছেলে মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে কি করে মেনে নেবেন আর্জেন্টাইনরা!

দিবালারও রোনালদোর সম্পর্কে নেতিবাচক একটা ধারণা ছিল। কিন্তু সেটা ২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত। সে বছরই হঠাৎ ট্রান্সফারে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে তুরিনে যোগ দেন রোনালদো। সতীর্থ হয়ে যান দিবালা।

এই দিবালার মুখে এখন রোনালদোর ভরপুর প্রশংসা। পর্তুগিজ যুবরাজের মতো এত বড় মাপের একজন ফুটবলার এতটা সামাজিক এবং বন্ধুভাবাপন্ন হতে পারেন, মেশার আগে ধারণাই ছিল না দিবালার।

এই রোনালদোর সঙ্গেই মনে রাখার মতো একটি ঘটনা আছে দিবালার। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড যেটা শেয়ার করলেন জাতীয় দলের ওয়েবসাইটে।

দিবালা ওই সাক্ষাতকারে বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি আসলেই খুব বিস্মিত হয়েছিলাম। কারণ আমি তাকে (রোনালদো) চিনতাম না, আমাদের কেউই তার সম্পর্কে জানতো না। এমনকি এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে আমরা যখন রিয়ালের কাছে হেরে বিদায় নেই, নেতিবাচক অনেক কিছু হয়েছিল।’

‘কিন্তু পরে আমরা অন্য কিছু দেখতে পাই। সে দারুণ একজন মানুষ। খুবই সামাজিক, বন্ধুভাবাপন্ন, ড্রেসিংরুমে ভেতরে বা বাইরে। সবসময় সে কথা বলতে চায়, এটা আমাকে বিস্মিত করে। তার মতো এত গুরুত্বপূর্ণ মানুষরা তো সবসময় এটা করে না।’

দিবালা যোগ করেন, ‘একবার ভ্রমণের সময় আমি তার পাশে বসে যাচ্ছিলাম। আমি তাকে বলেছিলাম-দেখো, সত্যি বলতে দ্বিধা নেই। আর্জেন্টিনায় আমরা তোমাকে কিছুটা ঘৃণা করি। তোমার ব্যক্তিত্ব, তোমার আচরণ, তোমার হাঁটাচলা-সব কিছুই। তবে আমি খুব অবাক হয়েছি যে একদম আলাদা কিছু দেখছি।’

‘সে (রোনালদো) হেসে দিয়েছিল। বলেছিল-আমি জানি সেটা। তবে আমি জানি আমি কেমন, আর এটার জন্য আমি সমালোচিত হতে অভ্যস্ত।’