করোনাভাইরাসের কারণে আগামী ২৮ মে পর্যন্ত দেশের সবধরনের ক্রিকেট বন্ধ করে দিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। অথচ সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে ২৭ মে’র মধ্যেই শেষ হয়ে যেত ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ।

এখন সেটি তো যথাসময়ে হচ্ছেই না, উল্টো শঙ্কার মুখে পড়ে গেছে একশ বলের ক্রিকেট ‘দ্য হান্ড্রেড’র ভাগ্যও। চলতি বছরেই প্রথমবারের মতো দ্য হান্ড্রেড আয়োজনের কথা ছিলো ইসিবির। কিন্তু এখন করোনা পরিস্থিতিতে এটি কবে হবে বা আদৌ হবে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কেউই।

এ তো গেলো, ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের কথা। আন্তর্জাতিক সূচিও স্থগিত রয়েছে করোনাভাইরাসের কারণে। মে-জুন মাসে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানকে স্বাগত জানানোর কথা রয়েছে ইংলিশদের। এরপরে রয়েছে আরও হোম সিরিজ।

কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে এগুলোর ভাগ্যও এখন অনিশ্চিত। আপাতত স্থগিত করা হয়েছে ২৮ মে পর্যন্ত, কিন্তু কোনো কারণে যদি ইংল্যান্ড ক্রিকেটের পুরো গ্রীষ্মটাই ক্রিকেট থেকে বাদ পড়ে যায়, তাহলে অস্বাভাবিকরকমের ক্ষতির মুখে পড়বে ইসিবি।

বোর্ডের প্রধান নির্বাহী টম হ্যারিসন জানিয়েছেন, এবারের গ্রীষ্মে যদি একদমই ক্রিকেট না হয় ইংল্যান্ডে, তাহলে ইসিবির ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৩০ কোটি পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩২শ কোটি টাকার সমান।

এ ক্ষতি যেনো না হয়, তাই যেকোনো মূল্যে মাঠের ক্রিকেট ফেরাতে চায় ইংল্যান্ডের ক্রিকেট বোর্ড। এরই মধ্যে ক্রিকেট বাঁচাতে প্রায় ৬৩৬শ কোটি টাকার ‘সাহায্য প্যাকেজ’ ঘোষণা করা হয়েছে বোর্ডের পক্ষ থেকে। যা খরচ করা হবে করোনার কারণে হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে নিতে।

এর বাইরে বোর্ডের ক্ষতি কমানোর জন্য খেলোয়াড়দের স্যালারির কিছু অংশ কেটে রাখার কথা ভেবেছিল ইসিবি। কিন্তু সে ব্যাপারে বিরোধিতা করেছে ইংল্যান্ডের চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটাররা। তবে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান জানিয়েছেন, করোনা মোকাবিলায় যেকোনো কিছু করতে রাজি তার দলের খেলোয়াড়রা।