প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়িতেই দিন কাটছে তো? অবশ্য এই সময়ে বাড়িতে না থেকেও উপায় নেই। কে জানে হয়তো দরজার বাইরেই উঁকি দিয়ে আছে মরণব্যাধি করোনার জীবাণু! কিন্তু সারাদিন বাড়িতে থাকার মানেই কী পরিশ্রমের কাজ না করা।

সুযোগ পেলেই বিছানায় একটু গড়িয়ে নেওয়া। যদিও গরম পরতে শুরু করেছে, তবু পানির তৃষ্ণা পাচ্ছে কম। এতে পানিও কম পান করা হচ্ছে। এই সুযোগেই যে আরও অনেকগুলো সমস্যা আপনার শরীরে বাঁধতে শুরু করেছে, তা আপনি জানতেও পারছেন না। কাজেই জেনে নিন বেশি বেশি পানি পান করলে কী উপকারিতা মিলবে-

ক্লান্তি

আপনার শরীরে যখন পানির অভাব দেখা দেবে তখন মাথায় এক ধরনের ব্যথা অনুভব করবেন। মাইগ্রেন বা চোখের সমস্যা না থাকার পরেও মাথাব্যথা হলেই বুঝবেন আপনার ‘ওয়াটার থেরাপি’ প্রয়োজন। পানির অভাব হলে অল্পতেই আপনি ক্লান্ত অনুভব করবেন। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে পানি পান করুন, সতেজ থাকবেন।

অল্পেই অসুখ

অসুস্থ অনুভব করলেই এক গাদা ওষুধ নয়, চেষ্টা করুন পানি পানের পরিমাণ বাড়াতে। পানি আমাদের শরীরের টক্সিন ও ব্যাকটেরিয়াকে শরীর থেকে বের করে দেয়। পানি যদি কম পান করা হয় তখন সেসব ক্ষতিকর উপাদান শরীরেই থেকে যায়। আর আপনার অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ও বেড়ে যায়। কাজেই এই সমস্যা থেকে বাঁচতে বেশি বেশি পানি পান করুন।

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া

প্রস্রাবের মাধ্যমে আমাদের শরীরের অনেক বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যা। কিন্তু পানি কম পান করলে শরীর তার পর্যাপ্ত টক্সিন বয়ে নিয়ে যাওয়ার উপকরণ পায় না। তাই প্রস্রাব কম হওয়ার পাশাপাশি তাতে জ্বালাভাবও থাকে। এ জন্য বেশি বেশি পানি পান করা উচিত।

কোষ্ঠকাঠিন্য

কম পরিমাণে পানি পান করলে শরীর কোলন বর্জ্য জমা করার সময় মল থেকেও পানিটুকু শুষে নেবে। ফলে মল কঠিন হয়ে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে। এজন্য কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করা প্রয়োজন।

ক্ষুধা

যদি এমন হয় যে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই আবার ক্ষুধা পেয়েছে এবং বারবার এমন হতে থাকলে বেশি বেশি পানি পান করুন। তাহলে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

ত্বকের সমস্যা

পানি কম পান করলে তার প্রভাব ত্বকে পড়বেই। ত্বক নিষ্প্রাণ হতে একদমই সময় নেবে না। একই সঙ্গে ত্বকে নানা ধরনের অসুখও দেখা দেবে। তাই ত্বক ভালো রাখতে প্রচুর পানি পান করুন।