করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত দুনিয়ার সমস্ত খেলাধুলা। অলিম্পিক, ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে সব কিছু। তবে এমন পরিস্থিতিতে ক্লোজ ডোর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলার পক্ষে কেউ কেউ। ইংল্যান্ডের কেভিন পিটারসেন পর্যন্ত বলছেন, ক্লোজ ডোর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হোক।

কিন্তু পাকিস্তানের বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনুস এসবের পক্ষে নন। তিনি এই কঠিন সময়ে সরাসরি ক্রিকেট খেলার বিরোধী। তিনি চান না কোনোভাবেই এখন মাঠে বল গড়াক।

পাকিস্তানের পিএসএল স্থগিত হয়ে গেছে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে। ভারতের আইপিএল স্থগিত হয়ে রয়েছে। এসব টুর্নামেন্ট কবে হবে সে ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা নেই। কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার ও কর্মকর্তা ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করেছেন, ‘রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামেই হোক ক্রিকেট।’ ওয়াকার ইউনুস ফাঁকা স্টেডিয়ামেও ক্রিকেট খেলার পক্ষপাতি নন।

ওয়াকার ইউনুসের মতে বিশ্বে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, মানুষের স্বাস্থ্য। করোনাভাইরাসে কাতারে কাতারে মানুষ মরছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটানোই এখন সময়ের দাবি। ওয়াকার ইউনুস বলেন, ‘ফাঁকা স্টেডিয়ামে ক্রিকেটের সঙ্গে আমি সহমত নই। পাঁচ-ছয় মাস পরে পরিস্থিতি যখন নিয়ন্ত্রণে আসবে, তখন রুদ্ধদ্বার স্টেডিয়ামে ক্রিকেটের কথা আমরা ভেবে দেখতে পারি।’

করোনা ভাইরাসে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৩ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়ে গেছে। মৃত্যু বরণ করেছেন ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ। এ পরিস্থিতিতে যেখানে ঘরে থাকাই সবচেয়ে বেশি নিরাপদ, সেখানে বাইরে বের হওয়ার কোনো মানে হয় না। ওয়াকার বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই ক্লোজডোর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলার পক্ষে নই। কোনো কোনো সময় আমাদেরকে ভিন্ন চিন্তাও করতে হয়। আমি মনে করি, এই মাস কেন, আগামী দু’মাসেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মনে হয় না।’

আইসিসি জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপপূর্ব পরিকল্পিত সূচি অনুযায়ী হবে। ওয়াকারও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখতে চান। তিনি বলেন, ‘আমি যখন পাকিস্তানের হয়ে খেলতাম বা জাতীয় দলকে কোচিং করিয়েছি, তখন থেকেই চাইতাম পাকিস্তান বড় কোনও আইসিসি টুর্নামেন্ট জিতুক। সে কারণেই এবারের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আমার এবং আমার দলের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।’