ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংয়ের মতো গর্হিত অপরাধ করা ক্রিকেটারদের পুনরায় খেলতে সুযোগ দেয়া নিয়ে কয়েকদিন ধরেই গরম পাকিস্তানের ক্রিকেটাঙ্গন। বিশেষ করে পাকিস্তান সুপার লিগের চিহ্নিত ফিক্সার শারজিল খানকে জাতীয় দলে ফেরানোর আলোচনা থেকেই যত ঝামেলার শুরু।

দেশটির সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটাররা এরই মধ্যে এই ইস্যুতে দাঁড়িয়ে গেছেন দুই মেরুতে। সাবেক অধিনায়ক জাভেদ মিঁয়াদাদ জানিয়েছেন, ক্রিকেটকে কলঙ্কিত করা ফিক্সারদের সরাসরি ফাঁসি দেয়া উচিৎ। সাবেক উইকেটরক্ষক রশিদ লতিফ পরামর্শ দিয়েছেন, ফিক্সিংকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করে আইন পাশ করতে।

এদের বিপরীতে দাঁড়িয়ে গেছেন আরেক সাবেক অধিনায়ক ও ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হওয়া সালমান বাট। তার মতে পাকিস্তান ক্রিকেটে আসলে সততার জায়গাই নেই। অর্থাৎ তাদের ক্রিকেটে প্রায় সবাই-ই কোন না কোনভাবে অসৎ।

ফিক্সারদের পুনর্বাসনকে ঘিরে এই যখন অবস্থা, তখন অন্যরকম এক সমাধান নিয়ে এসেছেন সাবেক ওপেনার রমিজ রাজা। ফিক্সিং করা ক্রিকেটারদের জীবিকা নির্বাহের জন্য মুদি দোকান খুলে ব্যবসা করার পরামর্শ দিয়েছেন বর্তমানে ধারাভাষ্যকার হিসেবে পরিচিত রমিজ।

মূলত ক্রিকেট ছেড়েও যেন আয়-রোজগার করতে পারেন, এজন্যই এ পরামর্শ দিয়েছেন রমিজ। তিনি বলেন, ‘আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলবো, এসব কলঙ্কিত ক্রিকেটারদের উচিৎ নিজেদের মুদি দোকান খোলা।’

এসময় রমিজ আরও জানান, ফিক্সারদের পুনরায় খেলার অনুমতি দেয়ার মাধ্যমে পাকিস্তানের ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতিই হয়েছে। যা শুধরে নেয়ার জন্য পরবর্তীতে আর কোন ফিক্সারকে সুযোগ দেয়ার পক্ষে নন রমিজ।

তার ভাষ্যে, ‘আমার সন্দেহ নেই যে, এসব ক্রিকেটারদের (মোহাম্মদ আমিরসহ অন্যরা) খেলার অনুমতি দেয়াটা পাকিস্তান ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করেছে। এখন আবার শারজিল খানকে ফেরানোর ব্যাপারে কথা হচ্ছে। এটা একদমই ঠিক হবে না। ক্রিকেটকে অনেক ক্ষতি করতে পারে।’