সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের কাদাকাটি হাজীরহাট কেন্দ্রিক হট্টগোলের অভিযোগে মিথ্যা মামলা ও অতিরঞ্জিত কল্প কাহিনীর প্রতিকারের দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকালে আরার গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা সাজ্জাদুল হক টিটুল এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সামাজিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, আমি এলাকার মানুষের কল্যাণে সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামী লীগ সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে মানুষের সুখে দুখে সাথে থেকে আইন-শৃংখলা রক্ষা ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। গত ১১ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৫ টারদিকে আমি বাড়িতে ছিলাম। স্থানীয়দের কাছে জেনেছি, কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাছেত আল হারুন চৌধুরী সে সময় কাদাকাটি হাজীরহাটে গিয়ে সাপ্তাহিক হাটে আগতদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে হ্যান্ড মাইকে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান সাহেব বাজারে আগত ব্যক্তিদের কিছু কথা বললে বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা প্রতিবাদ মুখর হয়ে ওঠেন। জানতে পেরে আমি দ্রুত ঘটনাস্থানে পৌছে মানুষকে নিবৃত করে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিবেশ শান্ত করতে সক্ষম হই। পরিস্থিতি শান্ত হলে চেয়ারম্যান সাহেবকে চলে যেতে আহবান জানিয়ে ফিরে আসি। কিন্তু পরবর্তীতে জানতে পারলাম চেয়ারম্যান সাহেব বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে আমাকেসহ অন্যদের আসামী করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন >> বাগেরহাটে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার কাছ থেকে টিসিবির ১৯২ লিটার তেল ক্রয়

এমনকি ঘটনাটিতে রঙ মাখিয়ে, অতিরঞ্জিত ও কাল্পনিক অভিযোগ এনে অন লাইন পোর্টালে আমাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা হয়েছে। যাতে আশাশুনিবাসীর প্রাণের মানুষ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যানকেও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একহাত দেখিয়ে দিয়ে সম্মান হানিকর প্রপাগান্ডা চালান হয়েছে। এসব কিছু করা হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে।

তিনি বলেন, আমি আগামী  ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে কাজ শুরু করায় মামলার বাদী বর্তমান চেয়ারম্যান আমাকে হেনস্তা করার হীন মানসিকতা নিয়ে কাজ করছেন। বাজারে ঐদিনের ঘটনা অনেকে মোবাইলে ভিডিও করেছিলেন। ভিডিও ফুটেজ দেখলে আমার বক্তব্যে প্রমাণ মিলবে দাবী করে তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করার দাবী জানান। এবং মিথ্যা ও কল্প কাহিনী প্রচার করে তাদের ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেবের সম্মান হানি না করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।