চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বন্দরে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সদস্যদের থাকা পণ্যের কন্টেইনার খালাস করে তাদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের পর চট্রগ্রাম বন্দর থেকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ-সহ সকল আমাদনিকারককে তাদের আমাদনি করা কন্টেইনার খালাস করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে এফবিসিসিআই।

বুধবার (২২ এপ্রিল) ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (এফবিসিসিআই) সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম’র পক্ষে তার পিএস নাদিম সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এক নির্দেশনায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বন্দরে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ সদস্যদের থাকা পণ্যের কন্টেইনার খালাস করে তাদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজে রাখতে বলে।

পরের দিন ১৮ এপ্রিল এই নির্দেশনা সংযুক্তি করে চিঠির মাধ্যমে সদস্যদের বিষয়টি জানিয়ে দেয় বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার ঘোষিত ছুটির কারণে আমদানিকারকরা পণ্য ডেলিভারি গ্রহণ না করায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও দেশের অন্যান্য বন্দরগুলোতে (বিমান ও নৌ) কন্টেইনারের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফলে বন্দরগুলোর নতুন কন্টেইনার নামানো বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের মোট কন্টেইনারের অর্ধাংশই বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সদস্যভুক্ত কারাখানার। এ সমস্যা নিরসনে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সদস্যদের আমদানি করা পণ্য গ্রহণ করে বিধানানুযায়ী তাদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন- বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বস্ত্র সেলের সহকারী প্রধান শামীমা আকতার সই করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বন্দরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনসহ বন্দরগুলো সচল রাখার স্বার্থে অতি সত্বর চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরসহ অন্যান্য বন্দরে আসা কন্টেইনারগুলো জরুরি ভিত্তিতে ডেলিভারি গ্রহণ করাসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তাদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হলো।