গাইবান্ধা প্রতিনিধি : সড়কে ঘুরছে না গাড়ির চাকা। থেমে আছে পরিবহন খাতের মানুষের জীবন-জীবিকা। করোনা ভাইরাসের কারনে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী গাইবান্ধা জেলায় সব ধরনের পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে চরম বিপাকে মানবেতর জীবন পার করছে দিন আনা দিন খাওয়া এ পরিবারগুলো। যানবাহনের চাকা ঘুরলেই তাদের পরিবারের অন্ন জোটে প্রতিনিয়ত। কিন্তু এখন রোজগার না থাকায় চরম বিপাকে তারা। তবে পরিবহন শ্রমিকদের সহায়তা দেয়া হলেও তা খুবই সামান্য। শ্রমিকদের চাহিদার তুলনায় অতি সামান্য সহায়তায় পাওয়ায় অধিকাংশ শ্রমিক না খেয়েই দিনযাপন করছে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, লকডাউন দীর্ঘায়িত হলে না খেয়ে মরতে হবে তাদের। খাদ্য সংকটে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বাস চালক জানান, সরকারি নির্দেশনায় আমরা পরিবহন চালাতে পারছি না। এতে আমাদের অর্থাভাবে না খেয়েই থাকতে হচ্ছে৷ শুকনো খাবার খেয়ে দিন যায় না। অতএব এমন পরিস্থিতিতে বসেই কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সোবাহান মন্ডল বলেন, শ্রমিকের বিরাট অংশ পরিবহন বন্ধ রাখায় আজ অভুক্ত থাকছে তারা। এর সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। খেটে খাওয়া এ শ্রমিকদের বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আমরা আবারও আবেদন করেছি। এর আগে শুধুমাত্র ৪’শ শ্রমিক ও পরিবারের মাঝে পলাশবাড়ী পৌরসভা এলাকায় এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও দেয়া হবে।
সরকারী নির্দেশে ও দেশের প্রয়োজনে দিন আনা দিন খাওয়া এই শ্রমিকগণ কর্মহীন হওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। বিরাট এ শ্রমিকগণ আজ খাদ্য সামগ্রী সহায়তার আশায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টির অপেক্ষায়।