সপ্তাহদেড়েক আগে জাতীয় দলের টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস এক লাইভ আড্ডায় দিয়েছিলেন মজার তথ্য। জানিয়েছিলেন, একবার বিরাট কোহলির মুখ বন্ধ করে দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। কোহলির ক্রমাগত স্লেজিংয়ের মুখে তামিমের পাল্টা জবাবে আর কিছু বলতে পারেননি কোহলি।

সেটি কবের ঘটনা বা কোন ম্যাচের, তা স্পষ্ট করে জানাননি ইমরুল। তবে সেদিনের পর যে কোহলি তাকে আর স্লেজিং করেননি, এটি বেশ জোর দিয়েই বলেছিলেন বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান। কিন্তু খোদ তামিম ইকবালের মনে নেই, তিনি কবে স্লেজিং করেছিলেন বিরাট কোহলিকে।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সাবেক ব্যাটসম্যান রমিজ রাজার সঙ্গে ইউটিউব লাইভ আড্ডায়, তামিম মনেই করতে পারেননি ঠিক কবে কোহলিকে চুপ করিয়েছিলেন তিনি। তবে মাঠের বাইরে কোহলির সঙ্গে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সে কথা মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি বাংলাদেশ দলের ওয়ানডে অধিনায়ক।

রমিজকে তিনি বলেছেন, ‘রমিজ ভাই, আমি জানি না ও (ইমরুল) এটা কবের কথা বলছে। আমি এটা একদমই মনে করতে পারছি না। ক্রিকেট মাঠে এরকম কিছু কথা সবার মাঝেই হয়। সেটা ভারত বা যেকোন দলের সঙ্গে। তবে আমরা সবাই বন্ধু। আমরা খুব নিবেদনের সঙ্গে মাঠে খেলি, এরপর মাঠ ছেড়ে আসলে কিন্তু আমরা সবাই বন্ধু।’

গত বুধবার (১৩ মে) রাতে ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে এক লাইভ সেশনে ইমরুল বলেন, ‘কোহলি ও আমি ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়াতে একটা ক্যাম্পে অংশ নিয়েছিলাম। তখন থেকেই আমাদের ভালো সম্পর্ক। জাতীয় দলে ঢোকার ২০১১ সালে প্রথমবার ওর বিপক্ষে খেলতে নামি। আমাকে অনবরত স্লেজিং করেই যাচ্ছিল কোহলি। আমি অবাক হচ্ছিলাম। এত ভালো সম্পর্ক থাকার পরেও স্লেজিং করছে ও।’

তখন নিজে কিছু না বলে তামিমকে জানান ইমরুল, ‘আমি ভাবছিলাম, এত ভালো একটা মাস কাটিয়ে আসার পরেও স্লেজিং করছে! তবে আমি নিজে কোন উত্তর দেইনি। তামিমকে বলেছিলাম যে, ও তো স্লেজিং করছে। তখন তামিম আবার ওকে একটা পাল্টা স্লেজিং করে। তামিম তো এগুলো ভালো পারে, মাঠে বেশ আগ্রাসী থাকে। এরপর আর আমাকে স্লেজিং করেনি কোহলি।’