নাটোর সংবাদদাতা :

ঢাকা থেকে পাবনা যাওয়ার কথা বলে প্রাইভেটকার ভাড়া করে চার জন। এরপর চালককে বেঁধে রাস্তায় ফেলে প্রাইভেটকারটি ছিনতাই করে তারা। কিন্তু, শেষ রক্ষা হয়নি। নাটোর পুলিশ পাবনা থেকে প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচ ছিনতাইকারীকে। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা এ সব তথ্য জানান।

তিনি জানান, ওই প্রাইভেটকারের মালিকের নাম শেখ আহম্মদ। তিনি ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার তাজমহল রোডের সি ব্লকের বাসিন্দা ও সাবেক ব্যাংকার। তার কারটির চালক ছিলেন রনি নামে এক যুবক।

.

পুলিশ সুপার জানান, গত ১২ মে ঢাকা থেকে পাবনা যাওয়ার কথা বলে চার জন ডাকাত রনির চালানো কারটি ভাড়া করে। রাত ৩টায় পাবনায় পৌঁছায় তারা। এ সময় টাকা কম থাকার কথা বলে একজন কথিত বড় ভাইকে ফোন করে টাকা নিয়ে আসতে বলে। কথিত ওই বড়ভাই পৌঁছানোর পর গাড়িতে উঠে চালক রনিকে বলে আরও কিছুদূর সামনে গিয়ে টাকা দেবে। পরিকল্পনা মোতাবেক ওই পাঁচ ডাকাত পাবনা সদর থানার গাছপাড়ায় পৌঁছে চালককে বেঁধে কসটেপ দিয়ে মুখ আটকে পেছনের সিটে বসায়। এরপর তারা বড়াইগ্রামের রাজাপুর হয়ে বনপাড়া-দাশুড়িয়া মহাসড়কের এক নির্জন জায়গায় রনিকে ফেলে পালিয়ে যায়। সকালে পথচারীরা রনিকে উদ্ধারের পর পুলিশকে খবর দেয়।

তিনি জানান, পরে বড়াইগ্রাম থানায় রনি মামলা দায়ের করে। এর পর আইও আনোয়ার হোসেনসহ মাঠে নামে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ মে পাবনা গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় পাবনা সদর উপজেলা এলাকা থেকে ওই প্রাইভেটকারটি উদ্ধার এবং কথিত বড় ভাই জ্যাককে আটক করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে ১৯ ও ২০ মে ঢাকার সাভার এলাকা থেকে অপর চার জনকেও গ্রেফতার করা হয়।

বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার ও আইও আনোয়ার হোসেন জানান, আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।