বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪৭ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে। যা ইউরোপের নেদারল্যান্ডের চেয়েও বেশি এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারের নিচে অবস্থান করছে। যদিও নেদারল্যান্ডের মৃত্যুর পরিমাণ অনেক বেশি। আবার কাতারে আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর হার খুবই কম।

বাংলাদেশের দুই ধাপ উপরে অবস্থান করা বেলজিয়াম মৃত্যুর হারের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত একটি দেশ যেখানে প্রতি ১০০ জন শনাক্ত হাওয়া রোগীর মধ্যে ১৬ জন মারা গেছেন।

বেলজিয়ামে প্রায় সাড়ে নয় হাজার মানুষ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

সৌদি আরবে বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ রোগী শনাক্ত হয়েছে কিন্তু মারা গেছে বাংলাদেশের চেয়ে কম। নেদারল্যান্ডসেও মারা গেছেন প্রায় ছয় হাজার মানুষ। বাংলাদেশ বর্তমানে আক্রান্তের দিক থেকে ২১ তম স্থানে রয়েছে।

বিশ্বে সর্বোচ্চ সংক্রমিত দুটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল। যুক্তরাষ্ট্রে আঠারো লাখের বেশি মানুষ কোভিড-১৯ আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছে। ব্রাচিলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ শনাক্ত হয়েছেন।

এদিকে করোনাভাইরাসে এক দিনে সর্বোচ্চ ৪০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ সময়ে শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৫৪৫ জনের দেহে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৫০ জনে এবং আক্রান্ত ৪৭ হাজার ১৫৩ জন।

আজ রোববার দুপুর আড়াইটায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা: নাসিমা সুলতানা।

তিনি আরো জানান, ৫২টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ২২৯টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৮৭৬টি। আক্রান্তের হার ২১.৪৩ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা আরো জানান, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪০৬ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ৭৮১ জন। সুস্থতার হার ২০.৭৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩৮ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ৩৩ জন ও নারী সাতজন।

এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের আটজন, খুলনা বিভাগের দুইজন, রাজশাহী বিভাগের একজন ও রংপুর বিভাগের একজন।

৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হওয়ার কথা জানায় সরকার। ১৮ মার্চ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে প্রথম ব্যক্তির মৃত্যু হয়।