দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৭ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো এক হাজার ৫৮২ জনে। আর গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৪৬২ জন। দেশে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে শনাক্ত হয়েছেন এক লাখ ২২ হাজার ৬৬০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৩১ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হলেন ৪৯ হাজার ৬৬৬ জন।

বুধবার (২৪ জুন) বেলা আড়াইটায় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনের আয়োজন করা হয়। সেখানে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।

অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৬টি ল্যাবে ১৭ হাজার ২৪৫টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৬ হাজার ৪৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ছয় লাখ ৬০ হাজার ৪৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

মারা যাওয়াদের ২৮ জন পুরুষ এবং নয় জন নারী। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায় যায়, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে আট জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে নয় জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিন জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে দুজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন। ঢাকা বিভাগে ১০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে নয় জন, রাজশাহী বিভাগে ছয় জন, খুলনা বিভাগে সাত জন, ময়মনসিংহ বিভাগে তিন জন, রংপুর বিভাগে একজন এবং বরিশাল বিভাগে একজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে ৩৪ জন এবং বাসায় তিন জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৭৪৯ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৩ হাজার ১৫৮ জন। আইসোলেশন থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৫১৮ জন এবং এখন পর্যন্ত আট হাজার ৭০৩ জন ছাড় পেয়েছেন। এখন পর্যন্ত আইসোলেশন করা হয়েছে ২১ হাজার ৮৬১ জনকে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টিন মিলে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে দুই হাজার ৬৩১ জনকে। এখন পর্যন্ত তিন লাখ ৪৭ হাজার ২৯১ জনকে কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে। কোয়ারেন্টিন থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ৮১৭ জন এবং এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৮৩ হাজার ৩৩১ জন ছাড় পেয়েছেন। বর্তমানে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬৩ হাজার ৯৬০ জন।’