করোনাভাইরাসের অনাখাঙ্খিত বিরতির পর প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে চলছে ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবল। শীর্ষ লিগগুলোর একটিতেও দেয়া হয়নি দর্শক প্রবেশের অনুমতি। করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্যই চলছে এই নিয়ম।

একইরকম দেখা যাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু হলেও। আগামী ৮ জুলাই থেকে মাঠে গড়াবে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার টেস্ট সিরিজ। সে সিরিজে গ্যালারিতে থাকবে না কোন দর্শক। শুধু এই তিন টেস্টই নয়, এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষেও দর্শকশূন্য গ্যালারিতে তিন টেস্ট ও তিন টি-টোয়েন্টি খেলবে ইংল্যান্ড।

এ বিষয়ে অনেক আগে থেকেই জানানো হলেও, মানসিক প্রস্তুতি ঠিক ওভাবে নেয়া হয়নি ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা পেসার স্টুয়ার্ট ব্রডের। আগে কখনও খালি গ্যালারিতে খেলেননি বিধায় এমন অবস্থার মধ্যে খেলতে নামার আগে একধরনের ভয় বা অস্বস্তি কাজ করছে ব্রডের।

তাই এ অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের মনোবিদের দ্বারস্থ হয়েছেন ব্রড। তিনি নিজেই জানিয়েছেন এ কথা। আগাস বোল থেকে এক ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্রড জানিয়েছেন দলের মনোবিদ ডেভিড ইয়ংয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে কাজ করছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, ব্রডের মা তাকে উপদেশ দিয়েছেন নিজেকে একজন ১২ বছরের বালক ভাবতে। যাতে করে খালি মাঠে খেলাটা খুব একটা প্রভাব না ফেলতে পারে।

ব্রড বলেছেন, ‘আমি মনে করি, দর্শক ছাড়া এ ম্যাচগুলো পুরো ভিন্নরকম মনে হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখন মানসিক পরীক্ষাও নেবে। সব খেলোয়াড়কে নিশ্চিত করতে হবে তারা যেন এ পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকে। আমিও এ ব্যাপারে খুব সতর্ক। আমাদের মনোবিদের সঙ্গেও কথা বলেছি। যাতে করে মানসিক বিষয়টা পাশ কাটিয়ে নিজের সেরাটা মাঠে দিতে পারি।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনি যদি আমাকে একটি অ্যাশেজ ম্যাচ খেলতে দেন অথবা প্রাকমৌসুম প্রদর্শনী ম্যাচ খেলতে দেন; আমি জানি কোন ম্যাচটায় আমাকে ভালো করতে হবে। ঠিক একইভাবে আমাকে এখন নিশ্চিত করতে হবে ইমোশন যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচের মতো করেই এগুতে হবে।’