যশোর সংবাদদাতা :” তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অনেক নেতা, এমপি, মন্ত্রী মারা গেছেন। কেউ ঘরে বসে নেই। আর বিএনপির নেতারা ঘরে বসে টেলিভিশনে উঁকি দিয়ে মুখ দেখাচ্ছেন। তারা মানুষের পাশে নেই।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে যশোর সার্কিট হাউজে খুলনা বিভাগের ৩৩৮ জন সাংবাদিকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম কর্মীরা জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে কাজ করছে। পুলিশ বাহিনী বাংলাদেশের জন্য উদাহরণ তৈরি করেছে। এছাড়াও সেনাবাহিনী, ডাক্তার, নার্স করোনাকালে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে কাজ করছেন। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

হাছান মাহমুদ বলেন, করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে। আশপাশের দেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকাও এমনভাবে সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ায়নি। শুধু ভারতে কোনো সাংবাদিক মারা গেলে আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, শুধু যারা সরকারের প্রশংসা করে তারা নয়, সমালোচক সাংবাদিকদেরকেও সহায়তা দেয়া হচ্ছে। সরকারি সহায়তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সাজেদ রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল, মহাসচিব শাবান মাহমুদ, যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

যশোর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মিলন রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি মনোতোষ বসু, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ, যুগ্ম মহাসচিব সাকিরুল কবীর রিটন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের ৯ জেলার সাংবাদিক নেতাদের হাতে ৩৩৮ জন সাংবাদিককে সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন তথ্যমন্ত্রী। এর মধ্যে যশোরের ৪৮ জন, খুলনার ১১৪ জন, মাগুরার ২৭ জন, মেহেরপুরের ২৫ জন, সাতক্ষীরার ৩৪ জন, চুয়াডাঙ্গার ২৮ জন, ঝিনাইদহের ২৯ জন, নড়াইলের ২৭ জন ও বাগেরহাটের ছয়জন সাংবাদিক রয়েছেন।