শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের সাবেক পেসার টনি ওপাথা আর নেই। শুক্রবার সকালে কলম্বোর একটি হাসপাতালে স্ট্রোক করে মারা গেছেন ৭৩ বছর বয়সী এ সাবেক ক্রিকেটার। গত বেশ কয়েকদিন ধরেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন টনি ওপাথা।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ বিশ্বকাপের মাঝে পাঁচটি ওয়ানডে খেলেছেন ওপাথা। সত্তরের দশকে শ্রীলঙ্কার ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম মহীরুহ ছিলেন তিনি। এয়ারফোর্সের হয়ে চাকরিরত অবস্থায়ই ক্রিকেট খেলেছেন তিনি, ছিলেন নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবে।

এছাড়া দেশের বাইরে আয়ারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডসের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেছেন ওপাথা। সত্তরের দশকে শ্রীলঙ্কা দলের প্রথম বাংলাদেশ সফরের মূল পেসার ছিলেন টনি ওপাথা। তখনকার সময়ে তর্কাতীতভাবে শ্রীলঙ্কার সেরা পেসার ছিলেন ওপাথা।

এর বাইরে অপাথার আরও বড় একটি পরিচয়, ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল যে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্রোহী সফরে গিয়েছিল, সেই সফরের মূল কারিগরই ছিলেন ওপাথা। খেলোয়াড় ও ম্যানেজার হিসেবে সেই সফরে শ্রীলঙ্কা দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।

তবে এ কারণে ওপাথা এবং সেই সফরের বাকি খেলোয়াড়দের আজীবন নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল ক্রিকেট থেকে। পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা সরকার এবং ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকেও ভর্ৎসনার শিকার হতে হয়েছিল তাকে।

২০১৮ সালে অবশ্য হারানো সম্মান ফিরে পেয়েছিলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার যে ৪৯ খেলোয়াড়কে ক্রিকেটে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম টনি ওপাথা।