চলতি অর্থবছরে (২০২০-২০২১) বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। এ সময় মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) তাদের ‘এশীয় ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) ২০২০’ এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

যদিও এর আগে গত ১৮ জুন এডিবি তাদের এক পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। আর এ সময়ে মূল্যস্ফীতি হতে পারে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। অর্থাৎ জুনের পূর্বাভাসের সঙ্গে আজকের পূর্বাভাসের তুলনায় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি দশমিক ৭ শতাংশ অবনতি হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতির উন্নতি হয়েছে দশমিক ১ শতাংশ।

গত ১১ জুন সংসদে বাজেটে ২০২০-২১ অর্থবছরের জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮ দশমকি ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ সরকার ও এডিবির বিপরীতে বিশ্বব্যাংক তাদের পূর্বাভাসে বলেছে, চলতি অর্থবছরে দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে মাত্র ১ শতাংশ।

হালনাগাদ করা জিডিপি সম্পর্কে বাংলাদেশে নিযুক্ত এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি করোনার প্রভাব কাটিয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য ও করোনা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক চাপ সত্ত্বেও অর্থনৈতিক প্রণোদনা, সামাজিক নিরাপত্তা, দরিদ্র ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের মৌলিক প্রয়োজনসহ খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দিয়ে সরকার দেশের অর্থনীতিকে ভালোভাবে সচল রাখতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে রফতানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা করোনা মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে ভালো করতে সহযোগিতা করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রফতানি ও রেমিট্যান্সের বৃদ্ধিকে আমরা স্বাগত জানাই। আশা করি, বাংলাদেশের এই অগ্রগতি টেকসই হবে। যার ফলে আমরা যে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি, তা অর্জন সম্ভব হবে।’

করোনা মোকাবিলা ও অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশকে ইতোমধ্যে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ এবং ৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে এডিবি।