দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৫৯ জনে।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্ত হলো মোট ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৬৪ জনের।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪৪৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৪১২ জন। মারা যাওয়া ৩৬ জনের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী। এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৪ জন, বাড়িতে ২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৯৪টি ল্যাবে ১৩ হাজার ৬৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৭৯ টি নমুনা।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৬৫ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৭২ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪১ শতাংশ।

বিভিন্ন বিভাগে যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকায় ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, রাজশাহীতে ৪ জন, খুলনায় ২ জন, বরিশালে ৩ জন, সিলেটে ১ জন, রংপুরে ১ জন রয়েছেন।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিহতদের মধ‌্যে ২১ থেকে ৩০ বছরের ২ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের ১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বয়সের মধ্যে ৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৬০ বছরের ওপরে ২১ জন রয়েছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৮ মার্চ, ২৬ অগাস্ট তা তিন লাখ পেরিয়ে যায়। এর মধ্যে ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ৭ সেপ্টেম্বর সেই সংখ্যা সাড়ে চার হাজার ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বিশ্বে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ইতিমধ্যে ২ কোটি ৯৮ লাখ ছাড়িয়েছে; মৃতের সংখ্যা ৯ লাখ ৪০ হাজার পেরিয়ে গেছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে সনাক্তের দিক থেকে ১৫তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ২৮তম অবস্থানে।