প্রতিপক্ষ তুলনামূলক দুর্বল হলেও, গত মৌসুমে খাবি খাইয়েছিল দুইবারের দেখায়ই। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের গত আসরে ওলভসের মাঠ থেকে ২-৩ ব্যবধানে হেরেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। নিজেদের ঘরের মাঠেও হেরেছিল ০-২ ব্যবধানে। নতুন মৌসুমের প্রথম ম্যাচটি ওলভসের বিপক্ষে হওয়ায় বাড়তি সতর্কতা সিটিজেনদের।

তবে এবার আর নেতিবাচক কিছু ঘটেনি। ওলভসের মাঠে খেলতে গিয়ে নতুন মৌসুমের শুরুটা দারুণভাবেই করেছে ইপিএলের অন্যতম সেরা দলটি। লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে ওলভসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে যাত্রা শুরু করেছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

পুরো ম্যাচে বড় দলের মতোই আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে ম্যান সিটি। ঘরের মাঠ হলেও খুব একটা পাত্তা পায়নি ওলভস। ম্যাচের দুই-তৃতীয়াংশ সময় বলে দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণ করেছেন কেভিন ডি ব্রুইন, গ্যাব্রিয়েল হেসুসরা। যার ফলও পেয়েছে দুর্দান্ত জয়ের মাধ্যমে।

ম্যাচের প্রথম গোলটা অবশ্য পেনাল্টি থেকে। ডি-বক্সের মধ্যে বেলজিয়ান তারকা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনকে ফাউল করা হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। গোলের সহজতম সুযোগটি কাজে লাগাতে কোনো ভুল করেননি ডি ব্রুইন। ম্যাচের তখন মাত্র ২০ মিনিট।

এর ১২ মিনিট পর গোছানো আক্রমণে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ম্যান সিটি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে রহিম স্টারলিংয়ের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান ডি ব্রুইন। সেই বল ধরে স্টারলিং আবার এগিয়ে দেন ফাঁকায় দাঁড়ানো ফিল ফোডেনের উদ্দেশ্যে। বল পেয়ে জালে জড়াতে সময় নেননি ফোডেন।

প্রথমার্ধে হয় এই দুই গোলই। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরেও আক্রমণের ধারা বজায় রাখে সিটিজেনরা। তবে গোল আর হচ্ছিল না। উল্টো ৭৮ মিনিটের সময় রাউল হিমিনেজের গোলে ব্যবধান কমায় ওলভস। তবে এতে কোনো লাভ হয়নি। অতিরিক্ত যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে লক্ষ্যভেদ করে দলকে দারুণ এক জয় এনে দেন গ্যাব্রিয়েল হেসুস।