ওজন কমাতে চান না এমন মানুষ পাওয়া আসলেই কষ্টের। তবে যত যাই করুন না কেন এতো সহজে ওজন কমানো যায় না। কঠোর ডায়েট আর নিয়ম করে শারীরিক কসরত করতেই হবে। তারপরও পাচ্ছেন না আশানুরূপ ফল।

শিরোনাম পড়েই চোখ কপালে উঠেছে। তবে পাঁচ মিনিটে করা যায় এমন ছোট্ট ছোট্ট কাজ করেই ওজন কমিয়ে ফেলতে পারবেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত আপনার করা ভুলেই বাড়ছে শরীরের ওজন। চলুন জেনে নেই ওজন কমানোর কিছু সেরা উপায়-

অনেকের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে সকালে উঠেই স্মার্টফোনে সোশ্যাল মিডিয়া খুলে বসা। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে একটু স্ক্রল না করে দিনটা শুরুই করতে পারেন না। তবে এবার এই অভ্যেসকেই আরো একটু ভালো ভাবে ব্যবহার করুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোটিভেশনাল পোস্ট বেশি করে দেখুন। যে সব গ্র‌ুপ ওয়ার্ক আউট আইডিয়া, হেলদি মিল আইডিয়া শেয়ার করে, তাদের ফলো করুন। সকালবেলাই এর ফলে আপনার সারাদিনের এনার্জির ডোজ অনেকটাই পেয়ে যাবেন।

দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিল হল ব্রেকফাস্ট। ব্রেকফাস্টে আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপরে ওজন বাড়া কমা অনেকটাই নির্ভর করে। সকালে উঠে যদি আপনি চিন্তাভাবনা করতে বসেন যে কী খাবেন, তারপর তৈরি করেন, তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার দেরি হয়ে যাবে। তখন চটজলদি কিছু একটা খেয়েই আপনি কাজে ছুটবেন। তার থেকে আগেরদিনই ভেবে রাখুন যে সকালে উঠে আপনি কী খাবেন। ওটস, স্মুদি, ব্রাউন ব্রেড ব্রেকফাস্টে খাওয়া যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমন সহজে বানিয়েও নেয়া যায়।

ওজন কমানোর জন্য সবথেকে কার্যকরী ব্যায়াম হল হাঁটা। তাই কী ওয়ার্ক আউট করবেন তা ভেবে না পেলে জোর পায়ে হাঁটুন। এটা গোটা শরীরের জন্য ব্যায়ামের কাজ করে। সবথেকে ভালো হয় যদি প্রতি আধঘণ্টা অন্তর পাঁচ মিনিট হেঁটে নিতে পারেন। কয়েকদিনেই উপকার টের পাবেন।

প্রি-ওয়ার্কআউট ড্রিংক হিসেবে কফি কিন্তু বেশ উপকারী। কফি আপনার এনার্জি বাড়িয়ে তুলবে ফলে ওয়ার্কআউট করতে গিয়ে সহজে হাঁপিয়ে যাবেন না আপনি। দুধ ও চিনি ছাড়া ব্ল্যাক কফিতে ক্যালোরি কাউন্ট কম তাই ওজন কমানোর জন্য এটি আদর্শ।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে কিছু এসেনশিয়াল অয়েল এবং কিছু দ্রব্যের গন্ধ নিলে ওজন কমানোর জন্য সহায়ক। দারুচিনি, আঙুরের বীজ, পেপারমিন্টের গন্ধ এক্ষেত্রে কার্যকরী। এছাড়া অনেকটা সময় নিয়ে খুব ধীরে ধীরে একটা কিশমিশ চিবোলেও তা কাজ দেয় বলে গবেষণায় জানা গিয়েছে।