বলিউডের ‘কিং অফ রোমান্স’ শাহরুখ খান। এবারে তিনি পা দিলেন জীবনের ৫৫ তম বছরে। ১৯৯২ সালে ‘দিওয়ানা’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু তার। অভিনয় এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্ব নিয়ে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা জয় করে নিয়েছেন।

শাহরুখের সিনেমা মানেই ভক্তদের কাছে বাড়তি উন্মাদনা। দুই দশকের বেশি সময় ধরে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দেওয়া শাহরুখের সেরা কিছু সিনেমা নিয়েই এই প্রতিবেদন :

ডর
ছবিটি পরিচালনা করেছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার যশ চোপড়া। ভালবাসা সফল না হওয়ার ভয়, ভালবাসার প্রতিদান না পাওয়ার ভয়, ভালবাসার মানুষকে হারানোর ভয় থেকেই সিনেমাটির গল্প। অসাধারণ এই সিনেমাটিতে শাহরুখের বিপরীতে অভিনয় করেছেন জুহি চাওলা। ১৯৯৩ সালের শাহরুখের কালজয়ী এই সিনেমাটি ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে
নব্বই দশকের সাড়া জাগানো ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবিতে শাহরুখ খান ও কাজল জুটির অনবদ্য অভিনয় অগণিত দর্শকের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। বলিউডের ইতিহাসে অন্যতম সফল এ ছবির কল্যাণে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় শাহরুখ-কাজল জুটি। ১৯৯৫ সালের ২০ অক্টোবর মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি ভারতে ১.০৬ বিলিয়ন এবং দেশের বাইরে ১৬০ মিলিয়ন আয় করে সেই বছরে বলিউডের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হয়ে ওঠে এবং এটি ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসেও অন্যতম সফল চলচ্চিত্র।

করণ অর্জুন
‘মেরে করণ অর্জুন আয়েঙ্গে’ নব্বইয়ের দশকের সব বাচ্চারাই এই ডায়লগ শুনে বড় হয়েছে। পরিচালক রাকেশ রোশনের এই ছবিই রূপোলি পর্দায় প্রথমবার একসঙ্গে হাজির করেছিল বলিউডের শক্তিশালী দুই খান শাহরুখ ও সালমানকে। ১৯৯৫ সালের ১৩ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল করণ অর্জুন। এ ছবিটি সহজভাবেই ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সবচেয়ে হিট ছবির তকমা পেতে পারত। তবে দুর্ভাগ্যবশত সেই বছরই মুক্তি পায় দিলওয়ালে দুলহানিয়া লেযাঙ্গে। যা বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছিল।

দিল সে
চলচ্চিত্র পরিচালক মণি রত্নম পরিচালিত ‘দিল সে’ ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯৮ সালে। ছবিটির মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান, মনীষা কৈরালা ও প্রীতি জিন্তা। উল্লেখ্য এটিই প্রীতি জিন্তা অভিনীত প্রথম বলিউড চলচ্চিত্র। সিনেমাটির আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা এটিকে ভারতের প্রথম কোনো সিনেমা হিসেবে ইউকে সিনেমা চার্টে সেরা দশে জায়গা করে দেয়।

কুচ কুচ হোতা হ্যায়
এই সিনেমায় চতুর্থবারের মত কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন জনপ্রিয় পর্দা জুটি শাহরুখ খান ও কাজল। সঙ্গে ছিলেন রানি মুখার্জি। ত্রিভূজ প্রেমের কাহিনী-নির্ভর চলচ্চিত্রটি বলিউডে ছবিটি ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করে। চলচ্চিত্রটি একাধিক পুরস্কার অর্জন করে। তন্মধ্যে রয়েছে শ্রেষ্ঠ সুস্থ্য বিনোদন প্রদানকারী জনপ্রিয় চলচ্চিত্র বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, জি সিনে পুরস্কার, স্ক্রিন পুরস্কার ও বলিউড মুভি পুরস্কার।

চলচ্চিত্রটি আটটি বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে এবং একমাত্র চলচ্চিত্র হিসেবে অভিনয়ের চারটি বিভাগে তথা শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা ও শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।

কাভি খুশি কাভি গাম
শাহরুখ খানের ক্যারিয়ার রঙিন করা আরও একটি দুর্দান্ত সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’। করণ জোহর আবারও সুপারহিট জুটি শাহরুখ-কাজলকে ফিরিয়ে আনেন এই সিনেমায় ২০০১ সালে। তাদের সঙ্গে ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন জুটিও। আর নতুন জুটি হিসেবে সেই ছবিতে আলো ছড়িয়েছেন হৃতিক রোশন ও কারিনা কাপুর। তারকাবহুল ছবিটি দারুণ সাড়া ফেলেছিলো বক্স অফিসে। উইকিপিডিয়া বলছে, চলচ্চিত্রটি প্রথম দিন সাত কোটি এবং সপ্তাহান্তে ১৪ কোটি রুপি আয় করে যা সেই সময়ের রেকর্ড ছিল। এই চলচ্চিত্রটি মোট ১৭১.২৯ কোটি আয় করে সে বছরের সর্বোচ্চ আয়ের সিনেমা হিসেবে শীর্ষ স্থান দখল করে নেয়।

দেবদাস
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস দেবদাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয় ছবিটি। এটি দেবদাস গল্পের তৃতীয় বলিউড (হিন্দি) সংস্করণ এবং হিন্দিতে প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র সংস্করণ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সঞ্জয় লীলা বানসালি। এখানে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান। সঙ্গে চন্দ্রমুখী চরিত্রে আছেন মাধুরী দীক্ষিত এবং পার্বতী চরিত্রে ঐশ্বরিয়া রাই।

দেবদাস বক্স অফিসে একটি বিশাল আলোড়ন তুলেছিল। ছবিটি ভারতীয় মুদ্রায় ৬৯ কোটি রুপি আয় করেছিল। ২০০২ সালের সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কৃতও হয় ‘দেবদাস’।’

কাল হো না হো
এটি ২০০৩ সালের নিউ ইয়র্ক শহরে চিত্রায়িত একটি চলচ্চিত্র। এখানে প্রধান চারটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান, সাইফ আলি খান, প্রীতি জিন্তা ও জয়া বচ্চন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নিখিল আদবানি। ছবিটিতে শাহরুখ খানের অভিনয় মন জয় করেছিলো দর্শকের। বেশ কিছু শ্রুতিমধুর গানের জন্যও এ সিনেমা খ্যাতি পায়। আইফা, ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ নানা পুরস্কারে ছবিটির জয়জয়কার ছিলো। এটি ভারতের বাইরে ভ্যালেনসিনাস, এরা নিউ হরাইজনস, ম্যারাকেচ ইন্টারন্যাশনাল এবং হেলসিঙ্কি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শিত হয়ে প্রশংসিত হয়। ৩০ কোটির সিনেমা ৭০ কোটি রুপি আয় করে বক্স অফিসেও বাজিমাত করেছিলো।

ম্যায় হু না
২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমা দিয়ে আবারও রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটে শাহরুখ খানের। রোমান্টিক, কমেডি ও অ্যাকশান ঘরানার ছবিটির কাহিনীকার ও পরিচালক ফারাহ খান। এটি শাহরুখের রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট ব্যানারে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র। তাই এই ছবিটির গুরুত্ব শাহরুখের কাছে সবসময়ই স্পেশাল। প্রথম যাত্রাতেই প্রযোজক শাহরুখ বাজিমাত করেছিলেন। ২৫ কোটি বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি আয় করে নিয়েছিলো ৭০ কোটি রুপিরও বেশি। এ সিনেমায় শাহরুখ খান ছিলেন দুর্ধর্ষ মেজর রামের চরিত্রে। আর ভিলেন হিসেবে এখানে দর্শক মাতিয়েছেন সুনীল শেঠি। ছবিতে শাহরুখের বিপরীতে ছিলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন।

বীর জারা
সীমান্ত-তারকাঁটা ডিঙিয়ে ‘বীরজারা’র দুই প্রেমিক হৃদয় এক হয়েছিল। পাকিস্তানি কন্যা জারা হায়াত খান ও ভারতের বিমানবাহিনীর উড়োজাহাজ চালক বীরপ্রতাপ সিংয়ের পরিণয়, বিচ্ছেদ, ভালোবাসা, সাহস আর উৎসর্গ দর্শকের চোখে জল এনেছিল। নিশ্চয়ই মনে আছে বীর ও জারার প্রণয়কাহিনির সিনেমা ‘বীরজারা’র কথা। ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটিও শাহরুখ খানকে নন্দিত করেছে তার ভক্তদের কাছে। এটি পরিচালনা করেন বলিউডের অন্যতম সেরা চিত্রনির্মাতা প্রয়াত যশ চোপড়া। রানি মুখার্জি পাকিস্তানি আইনজীবীর ভূমিকায় অভিনয় করেন যিনি তার মক্কেল শাহরুখের জন্য আইনি লড়াই চালিয়ে যান। কিরণ খের, অনুপম খের, দিব্যা দত্ত, প্রয়াত জোহরা সেহগাল এ ছবিতে অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া বিশেষ ভূমিকায় দেখা গেছে হেমা মালিনী ও অমিতাভ বচ্চনকে।

ওম শান্তি ওম
শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারে আরও একটি মাইলফলক সিনেমার নাম ‘ওম শান্তি ওম’। এটি ২০০৭ সালে মুক্তি পায়। নির্মাণ করেন ‘ম্যা হু না’ ছবিরই পরিচালক ফারাহ খান। ছবিতে প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন। কয়েকটি গুরুপ্তপুর্ণ চরিত্রে দেখা যায় কিরণ খের, শ্রেয়াস তালপাদী, অর্জুন রামপাল ও যুভিকা চৌধুরীকে। এছাড়াও ছবিতে উপস্থিত করা হয় বলিউডের নামিদামি প্রায় ৪২-জন তারকাকে। সেই তারকাদের নিয়ে ওম শান্তি ওম শিরোনামের গানটি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো।

৩৫ কোটি রুপি এ ছবি আয় করেছিলো ১৫০ কোটিরও বেশি।

চাক দে ইন্ডিয়া
একই বছরে মুক্তি পাওয়া শাহরুখ খানের আরেকটি বাজিমাত করা সিনেমা ‘চাক দে ইন্ডিয়া’। পুরোপুরি কমার্শিয়াল সিনেমার শাহরুখ ২০০০ সালের পর থেকেই কিছু অফট্র্যাকের ছবিতে কাজ করার চেষ্টা করছিলেন। সে ধারায় তিনি দারুণ প্রশংসা পেয়েছিলেন ২০০৪ সালের ‘স্বদেশ’ ছবিতে। তবে সেই ছবিতে ব্যবসায়িক সাফল্য পাননি শাহরুখ। সেই আক্ষেপ মিটেছিলো ‘চাক দে ইন্ডিয়া’-তে।

২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে ভারতীয় হকি দলের প্রাক্তন অধিনায়ক কবীর খান হিসেবে যেমন ব্যবসায়িক সাফল্য পেয়েছেন তেমনি অভিনয় দিয়ে সমালোচকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন শাহরুখ খান। ২৪ কোটি রুপি ব্যায়ে সিনেমাটি তৈরি করেছিলো যশরাজ ফিল্মস। আর আয় করেছিলো ১১০ কোটি রুপিরও বেশি। এর পরিচালক ছিলেন সীমিত আমিন।

রব নে বানা দি জোড়ি
‘ওম শান্তি ওম’র আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের পরের বছরই যশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে এই সিনেমা দিয়ে আরও এক ধামাকা নিয়ে হাজির হন শাহরুখ খান। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আদিত্য চোপড়া। এখানে মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান ও নবাগত আনুশকা শর্মা। চলচ্চিত্রটি ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর মুক্তি লাভ করে। ২২ কোটি রুপিতে নির্মিত সিনেমাটি আয় করে নেয় ১৫০ কোটিরও বেশি।

মাই নেম ইজ খান
দীর্ঘ ৯ বছর পর আবারও সিনেমার পর্দায় শাহরুখ-কাজল জুটি নিয়ে হাজির হলেন করণ জোহর। তার পরিচালনায় এবং শাহরুখ খানের রেড চিলিজের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার ‘মাই নেম ইজ খান’ বক্স অফিস মাতিয়েছিলো। ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান। তার বিপরীতে আছেন কাজল। এই ছবিটিও ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে নাম লিখিয়েছিলো ব্যবসায়িক সাফল্যে। হয়েছিলো ২০১০ সালের সবচেয়ে বেশি ব্যবসা সফল সিনেমা।

ডন ও ডন ২
২০০৬ সালে ফারহান আখতার রিমেক করেন অমিতাভ বচ্চনের জনপ্রিয় ‘ডন’ সিনেমাটি। সেখানে নাম ভূমিকায় দেখা যায় শাহরুখ খানকে। কারিনা কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে নিয়ে সে ছবিতে আলোচনার চেয়েও বেশি সাফল্য দেখান কিং খান। ৩৫ কোটি রুপির সিনেমাটি ১০০ কোটি আয়ের ক্লাবে নাম লেখায়।

পাঁচ বছরের বিরতি দিয়ে ২০১১ সালে মুক্তি পায় ‘ডন ২’। এবারে শুধু প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকেই দেখা যায় শাহরুখ খানের সঙ্গে। এই ছবিটিও পরিচালনা করেন ফারহান আখতার। এটি ৮৫ কোটি রুপি খরচ করে নির্মাণ করা হয়। বছরের সেরা আলোচিত সিনেমাটি আয় করতে গিয়ে বক্স অফিসে তুলকালাম করে দেয়। ‘ডন ২’ ঘরে তুলে নেয় প্রায় ৩০০ কোটি রুপি।

রা ওয়ান
শাহরুখ খানের ক্যারিয়ারে দারুণ এক সংযোজন রা ওয়ান। শিশুতোষ আমেজের এই সিনেমাটি মূলত সুপারহিরো ভিত্তিক গল্পে নির্মিত। যেখানে শাহরুখ খানকে দেখা যায় জি ওয়ান নামের একটি চরিত্রে। আর ভিলেন রা ওয়ানের ভূমিকায় পর্দা মাতিয়েছিলেন অর্জুন রামপাল। বিজ্ঞানভিত্তিক কল্পকাহিনির এ সিনেমাটির পরিচালনা করেছেন অনুভব সিনহা। এখানে শাহরুখ খান দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তার বিপরীতে আছেন কারিনা কাপুর। ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ১২৫ কোটি রুপি ব্যায়ে নির্মিত ছবিটি প্রায় আড়াইশো কোটি রুপি আয় ঘরে তুলেছিলো।

চেন্নাই এক্সপ্রেস
২০১৩ সালের একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র। এটি একটি রোমান্টিক অ্যাকশন কমেডি চলচ্চিত্র। এর পরিচালক রোহিত শেঠি। শাহরুখ খানের বিপরীতে এই সিনেমায় ‘ওম শান্তি ওম’র পর আবারও জুটি হয়ে ফিরে আসেন দীপিকা পাড়ুকোন। তামিল ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে এই ছবিটি ভারতজুড়েই বেশ সাড়া ফেলেছিলো। এ ছবি ভেঙে দিয়েছিলো ‘থ্রি ইডিয়টস’ সিনেমার আয়ের রেকর্ড। ঘরে তুলেছিলো ৪২৩ কোটি রুপিরও বেশি।

শাহরুখ খানের স্বর্ণযুগ এ পর্যন্তই বলা চলে। এরপর শাহরুখ খান আরও বেশ কিছু বিগ বাজেটের সিনেমায় কাজ করেছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাব তাক হ্যায় জান, হ্যাপি নিউ ইয়ার, ফ্যান, রইস, দিলওয়ালে, জিরো ইত্যাদি। তবে এই ছবিগুলো কিংবদন্তি এই অভিনেতার নাম ও খ্যাতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাফল্য পায়নি।