রোববার কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে আইপিএলের এবারের আসরের শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তার দল চেন্নাই সুপার কিংস প্রথম পর্বেই বাদ পড়ে যাওয়ায়, আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো দর্শক হয়েই থাকতে হবে ধোনিকে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, এবারের আসরটিই হয়তো ধোনির শেষ আইপিএল।

তবে ধোনি নিজে জানিয়েছেন, অবশ্যই এটি তার শেষ আইপিএল নয়। অন্তত আগামী মৌসুমেও চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে নামতে চান তিনি। এরই মধ্যে বয়সের কাঁটা ৩৯ পেরিয়ে গেছে, পরের আইপিএলের আগে হয়ে যাবে ৪০। এবারের আইপিএলেই যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স করেছেন ধোনি। পরে আরও খেললে পারফরম্যান্স কেমন হবে তা নিয়ে একপ্রকার সংশয় থেকেই যায়।

এবারের আইপিএলে ধোনির ইনিংসগুলো যথাক্রমে ০*, ২৯, ১৫, ৪৭*, ১১, ১০, ২১, ৩, ২৮, ১৬, ১৯* ও ১; সবমিলিয়ে খেলা ১৪ ম্যাচে ১২টি ইনিংসে সাকুল্যে ২০০ রান করতে পেরেছেন ধোনি। নেই কোন ফিফটি, সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৪৭ রান, স্ট্রাইকরেটও মাত্র ১১৬। যা তার ব্যর্থতারই সাক্ষী দেয়।

তবু আরও এক মৌসুম খেলার পক্ষে তিনি। আর তিনি যদি আইপিএল ক্যারিয়ার লম্বা করতেই চান, তাহলে আরও দুই মৌসুম খেলতে হবে বলে মনে করেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন। তার মতে, আইপিএলের পরবর্তী আসরও যদি আরব আমিরাতে হয়, তাহলে বিদায় জানানোর জন্য ২০২২ সালের আইপিএলও খেলতে হবে ধোনিকে।

কেননা ভন মনে করেন, ধোনির মতো একজন ক্রিকেটারের অবশ্যই ঘরের মাঠ থেকে বিদায় নেয়াটা প্রাপ্য। তাই যদি ২০২১ সালেই আইপিএলকে বিদায় জানান ধোনি, তবু তার উচিত হবে ২০২২ সালে অন্তত একটি ম্যাচের জন্য হলেও মাঠে নামা। যাতে ঘরের মাঠের দর্শকরা তাকে যথাযথ বিদায় জানাতে পারে।

ক্রিকবাজে ভন বলেছেন, ‘এখন যেমনটা শোনা যাচ্ছে, আইপিএল যদি আগামী বছরেও আরব আমিরাতে হয়, তাহলে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আরও এক বছর খেলতে হবে। সে খালি মাঠে দর্শকশূন্য গ্যালারিতে বিদায় নিতে পারে না। ধোনিকে পরের বছরেও অন্তত একটি ম্যাচ খেলতে হবে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘দর্শক ছাড়া মাঠ থেকে সে বিদায় নিতে পারে না। যদি একজন খেলোয়াড়ও থাকে যে কি না ভরা মাঠে বিদায় প্রাপ্য, ধোনিই সেই জন। যদি সে খেলতে না পারে, তাহলে হয়তো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো হুট করেই বিদায় জানিয়ে দেবে। তবে আমি তার শেষ ম্যাচে বর্ণাঢ্য আয়োজন চাই।’