বিশেষ সংবাদদাতা :আগেই জানা, বিসিবি থেকে টি-টোয়েন্টি লিগের জন্য সম্ভাব্য স্পন্সর চেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছিল। রোববার (১ নভেম্বর) ছিল সেই আগ্রহী কর্পোরেট হাউজগুলোর আবেদনের শেষ দিন। সেই সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও, প্রস্তাবিত টি-টোয়েন্টি লিগের স্পন্সর কারা হবে?- এখনও বিসিবি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সে ঘোষণা আসেনি।তবে জাগো নিউজের পাঠকরা এরই মধ্যে জেনে গেছেন সম্ভাব্য তিন স্পন্সরের নাম। দেশের দুই অভিজাত কর্পোরেট হাউজ বেক্সিমকো আর জেমকন গ্রুপের সঙ্গে বরিশালের একটি কনসোর্টিয়ামও টি-টোয়েন্টি লিগের সম্ভাব্য স্পন্সর হতে যাচ্ছে।এদিকে পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের স্পন্সর হতে ‘এক্সপ্রেশন অফ ইন্টারেস্ট’ দেখিয়েছে দেশের আরেক বড় কর্পোরেট হাউজ গাজী গ্রুপও। সোমবার দুপুরে বিসিবির এক উচ্চপর্যায়ের দায়িত্বশীল সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, কয়েকটি কর্পোরেট হাউজ এরই মধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।এর মধ্যে ৪টি দলের স্পন্সর প্রতিষ্ঠান একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেছে। সেগুলো হলো বেক্সিমকো, জেমকন গ্রুপ, বরিশাল কর্নোসোটিয়াম ও গাজী গ্রুপ। এর বাইরে আরও একটি টিম স্পন্সর থাকবে। সেটা কারা? তা নিয়ে আগ্রহী একাধিক প্রতিষ্ঠান। দেশের অন্যতম অভিজাত ও ঔষধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘ইনসেপটা’ আগ্রহী বলে জানা গেছে।একই সঙ্গে বিপিএলের শেষ টিম স্পন্সর থাকা আখতার গ্রুপও কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে দল নিতে ইচ্ছুক বলে জানা গেছে। শেষপর্যন্ত কর্পোরেট হাউজগুলো টিম স্পন্সর হলে অনিবার্যভাবেই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি হয়ে যাবে কর্পোরেট লিগ। তখন আর বিসিবির সাজিয়ে দেয়া দল নিয়ে নয়, যথাসম্ভব প্লেয়ার্স ড্রাফটের মাধ্যমে খেলোয়াড় সংগ্রহ করে নিজ নিজ দল সাজাবে আগ্রহী স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলো।তবে এখনও পর্যন্ত তা পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, তারা দুইভাবে দল সাজানোর কাজ করছেন। প্রেসিডেন্টস কাপের মত ১৬ জন করে ৫ দল সাজানোর কাজ এরই মধ্যে করে রাখা হয়েছে। আবার এ, বি ও সি; তিন ক্যাটাগরিতে ৮০ ক্রিকেটারের নাম চূড়ান্ত করা আছে। প্লেয়ার্স ড্রাফট হলে ঐ ক্যাটাগরি থেকেই খেলোয়াড় নেয়া যাবে।