1. dailyfulki04@gmail.com : fulkinews24 :
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
করোনা সর্বশেষ :

করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২১৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩৪ জন এবং নারী ৮৪ জন তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৫৬ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়

করোনা রোগীর চাপ ঢাকা মেডিক্যালে

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবারও করোনা রোগীর চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বেশির ভাগ রোগীই আসছেন বিভিন্ন জেলা থেকে। তাদের অধিকাংশই রেফার্ড রোগী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৫৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে। রোগীদের মধ্যে যাদের অবস্থা গুরুতর তাদেরই কেবল ভর্তি নেওয়া হচ্ছে। যে সব রোগীর অবস্থা মোটামুটি ভালো, অক্সিজেন লাগছে না, তাদের ব্যবস্থাপত্র দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। বাসায় রেখে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। সিট ফাঁকা না থাকলে বাধ্য হয়ে অনেককে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক আশরাফুল আলম বলেন, ‘আমাদের এখানে সিট ফাঁকা হলেই রোগী ভর্তি দেওয়া হয়। আমরা চাই না কোনও রোগী অন্যত্র চলে যাক। বিভিন্ন জেলা থেকে বেশির ভাগ রোগীকে ঢামেক হাসপাতালে রেফার করা হয়। আমাদের এখানে কোনও রকম ব্যবস্থা করতে পারলে তাই করে থাকি। সিটের বাইরেও অনেক রোগী ভর্তি নিয়েছি।’

ঢাকা মেডিক্যালে করোনা রোগী

ঢাকা মেডিক্যালে করোনা রোগী

কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলার রোগী মায়া বেগম (৫০)। তার ছেলে মাহমুদুল বলেন, আমার মায়ের ডায়াবেটিস আছে। তার মধ্যে ঈদের পর থেকেই জ্বরে ভুগছেন। সঙ্গে কাশি আছে। প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা করাচ্ছিলাম। এখন তিনি খুবই দুর্বল হয়ে গেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেয়। তাই নিয়ে আসি। চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরীক্ষার পর কাগজ-পত্র দেখে ভর্তি দিয়েছেন।’

ঢামেক হাসপাতালের একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স বলেন, ‘৩-৪ দিন ধরে আমি অসুস্থ বোধ করছিলেন। বুধবার করোনা টেস্ট করাতে দেই। আজ রিপোর্ট পেয়েছি পজিটিভ। তাই ভর্তি হতে এসেছি।’

নরসিংদী সদর উপজেলার বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন (৫০)। তিনি সৌদি প্রবাসী। হেলাল উদ্দিনের শ্যালক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ভগ্নিপতি ছুটিতে দেশে এসেছেন। সেখান থেকে এক ডোজ টিকাও নিয়েছেন। কয়েক দিন ধরে জ্বর, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। আমরা নরসিংদী সদর উপজেলাসহ দুটি হাসপাতালে নিয়েছি। সেখানে নাকি সিট নেই। তারাই ঢাকায় নিয়ে আসতে বলেছে। তাই অক্সিজেন লাগিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে আসেছি। জানি না এখন ভর্তি করাতে পারি কিনা। অপেক্ষায় রয়েছি।’

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © FulkiNews24
Go to Fulki TV